শরীর সুস্থ রাখতে উপযুক্ত খাবারের দরকার হয়। ভিটামিন, খনিজের অভাব হলে অনেক সময়ই সর্দি, কাশি, জ্বর-দ্রুত কাবু করে ফেলে শরীরকে। মানুষের মতোই পুষ্টির অভাবে রোগ কাবু করে ফেলতে পারে পোষ্যকেও। সুস্থ থাকতে তাদেরও প্রয়োজন হয় উপযুক্ত খাবার। কী খাওয়ালে যে কোনও মরসুমেই পোষ্য থাকবে চনমনে, বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা?
পোষ্যের খাদ্য সংক্রান্ত এক বাণিজ্যিক সংস্থার কর্ণধার জেএস রামকৃষ্ণ বলছেন, ‘‘পোষ্যের জন্য ব্যালান্সড ডায়েট ভীষণ জরুরি, অর্থাৎ প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন, খনিজের ভারসাম্য থাকা দরকার খাদ্যতালিকায়।’’
মুরগির মাংস, ডিম, মাছ: মাংস, ডিম, মাছ থেকে প্রোটিন পায় কুকুর। পেশি মজবুত করতে প্রোটিন অত্যন্ত জরুরি। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারে থাকে অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি৬, বি১২। জ়িঙ্ক, সেলেনিয়ামের মতো উপাদান মেলে মুরগির মাংস থেকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
আরও পড়ুন:
তিসির বীজ: তিসির বীজে থাকে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ডায়েটরি ফাইবার। শরীর ভাল রাখতে শুধু নয়, সারমেয়ের লোম সুন্দর রাখতেও এই উপাদান জরুরি। সারমেয়র হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতেও এই বীজ সাহায্য করে।
আপেল, কলা: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন খুব জরুরি। পোষ্যের খাবারের তালিকায় কয়েকটি ফল রাখা সে জন্য খুব জরুরি। আপেলে থাকে ভিটামিন এ এবং সি। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ফলে থাকা ফাইবার খাবার হজমেও সহায়ক। কলায় থাকে ফাইবার, ভিটামিন এবং ফোলেট। যা সারমেয়র স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য জরুরি।
ঘোল: দইয়ের ঘোল বা টক দই পেটের স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য জরুরি। এতে থাকে প্রোবায়োটিক, যা হজমক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। বিশেষত গরমের দিনে এই ধরনের খাবার খাওয়ালে কুকুরের স্বাস্থ্য ভাল থাকবে।
প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্যে লেখা। প্রজাতি অনুযায়ী প্রতিটি সারমেয়র খাদ্যাভ্যাস আলাদা হয়। পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সারমেয়র জন্য খাদ্যতালিকা তৈরি করাই ভাল।