মাথায় রোদ লাগলে, আবহাওয়া পরিবর্তনে কিংবা মানসিক চাপ থেকে মাইগ্রেনের সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে প্রাপ্তবয়স্কদের। ঠিক একই রকম সমস্যা ইদানীং ছোটদের মধ্যেও প্রকট হয়ে উঠেছে। যেমন বছর সাতেকের খুদে অরিত্রর প়়ড়তে বসলেই মাথা যন্ত্রণা করে। মাথায় হাত দিয়ে শুয়ে পড়ে। কোনও শব্দ সহ্য করতে পারে না। খালি পেটে গ্যাস হয়ে গিয়েছে ভেবে জোর করে কিছু খাওয়াতে গেলে কোনও কোনও দিন বমি পর্যন্ত করে ফেলে। স্নায়ুর চিকিৎসকেরা বলছেন, এ সবই মাইগ্রেনের লক্ষণ। তবে তা সাধারণ মাইগ্রেন নয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে ‘ভেস্টিবুলার মাইগ্রেন’ বলা হয়।
আরও পড়ুন:
পড়ার চাপ, একটানা মোবাইলের পর্দায় চোখ রাখা কিংবা গেম খেলার পরেও অনেক সময়ে মাথা যন্ত্রণা করতে করে। পরিবারে কারও এই ধরনের সমস্যা থাকলে পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে তা সঞ্চারিত হতে পারে। এক একজনের ক্ষেত্রে ‘ভেস্টিবুলার মাইগ্রেন’-এর কারণ এক এক রকম হতে পারে। রাত জাগা, অনেক ক্ষণ পর্যন্ত খালি পেটে থাকা, অতিরিক্ত চকোলেট খাওয়ার অভ্যাসেও এই ধরনের সমস্যা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন:
এর থেকে মুক্তির উপায় কী?
‘ভেস্টিবুলার মাইগ্রেন’ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রাথমিক ভাবে জীবন ধারা বদলের উপর জোর দেন চিকিৎসকেরা। পাশাপাশি মোবাইল, টেলিভিশন ছাড়াও যে কোনও ধরনের ডিজিট্যাল যন্ত্র থেকে দূরে থাকতে বলা হয়। এ ছাড়াও ‘ভেস্টিবুলার স্নায়ু’ শান্ত রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম এবং খাবার উপরেও নজর দেওয়া জরুরি।