দিনে বেশির ভাগ সময়েই বাড়িতে থাকতেন। আর রাত হলেই বাসডিপোগুলিতে শিকারের খোঁজে বেরোতেন পুণেয় বাসে ধর্ষণে অভিযুক্ত। প্রাথমিক তদন্তের পর এমনই জানতে পেরেছে পুলিশ।
পুণের পুলিশ কমিশনার অমিতেশ কুমার জানিয়েছেন, অভিযুক্তের ফোনের গত দু’মাসের তথ্য ঘেঁটে দেখা গিয়েছে যে, দিনের বেশির ভাগ তিনি বাড়িতে কাটিয়েছেন। গ্রামে ঘুরে বেড়িয়েছেন। স্থানীয়রাও এমনই দাবি করেছেন। কিন্তু রাত হলেই তাঁকে অনেকে বেরিয়ে যেতে দেখেছেন বলে দাবি তাঁর গ্রামের একাংশের। আর সেই সূত্র ধরেই তদন্ত শুরু করতেই জানতে পারা গিয়েছে যে, গত দু’মাসে শিবাজিনগর, শিরুর এবং স্বরগেট বাসডিপোগুলিতে যেতেন।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে খবর, শহরের ওই বাসডিপোগুলির সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, বাসডিপোগুলিতে শিকারের খোঁজে যেতেন অভিযুক্ত। মঙ্গলবার যে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, তার সঙ্গে অভিযুক্তের বাসডিপোগুলিতে রেকি করার ঘটনার মিল খুঁজে পাচ্ছেন তদন্তকারীরা। তদন্তে পুলিশ আরও জানতে পেরেছে যে, বিশেষ করে মহিলাদের কাছে নিজেকে খুব সাদাসিধে এবং উপকারী হিসাবে তুলে ধরার চেষ্টা করতেন। তাঁদের সঙ্গে নম্র ভাবে কথা বলে আলাপ জমাতেন। তাঁদের বিশ্বাস অর্জন করতেন। তার পর ফোন নম্বর আদানপ্রদানও হত। ঘটনাচক্রে, মঙ্গলবার যে মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, তাঁকেও ‘দিদি’ বলে সম্বোধন করেছিলেন অভিযুক্ত। কোথায় যাবেন, কে কে আছে বাড়িতে ইত্যাদি এক কথা দু’কথায় তাঁর সঙ্গে আলাপ জমান। তাঁর বিশ্বাস অর্জন করেছিলেন। তার পরই তাঁকে বাস ধরিয়ে দেওয়ার বাহানায় একটি ফাঁকা বাসে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ।