পুজো আসতে আর বেশি দিন নেই। হালফ্যাশনের শাড়িই হোক বা ক্রপ টপ, ছিপছিপে না হলে কোনওটিই মানাবে না। তাই এখন থেকে রোজ শরীরচর্চা করতে শুরু করেছেন। এক দিনও বাদ দিচ্ছেন না। যেমন ভাবেই হোক, সপ্তাহের সাত দিন সময় বার করে জিমে যাচ্ছেন। সে কারণে গা-হাত-পায়ে প্রবল ব্যথাও হচ্ছে। একটু কষ্ট সহ্য করে যদি পুজোর আগে কেজি পাঁচেক ওজন কমিয়ে ফেলা যায় তা হলে মন্দ কী! কিন্তু সমস্যা তো আছেই। প্রশিক্ষকেরা বলছেন, এই ভাবে বিশ্রামহীন শরীরচর্চার ফল কিন্তু উল্টো হতে পারে।
আরও পড়ুন:
আসলে শরীরচর্চা করার সময়ে পেশিতন্তুগুলি অনেক সময়ে ছিঁড়ে যায়। যেগুলি সাধারণত খালি চোখে দেখা যায় না। বিশ্রাম নিলে সেই ক্ষত নিরাময় হয়। সপ্তাহে সাত দিনই একটানা শরীরচর্চা করলে সেই ক্ষত সারে না। উল্টে ক্ষতের উপর ক্ষত সৃষ্টি হয়। অতিরিক্ত পরিশ্রম করলে বিশ্রামের সময়ও বেশি লাগবে। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, পেশির ব্যথা পুরোপুরি নিরাময় না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। দু’দিন বিশ্রাম নেওয়াই যথেষ্ট।
আরও পড়ুন:
সপ্তাহে ক’দিন শরীরচর্চা করলে ক’দিন বিশ্রাম নেওয়া উচিত?
সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন শরীরচর্চা করলে সাধারণত বিশ্রাম নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। তবে শরীরচর্চার ধরনের উপরেও বিশ্রাম নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা-অপ্রয়োজনীয়তা নির্ভর করে। তবে প্রশিক্ষকেরা বলছেন, সপ্তাহে পাঁচ দিন কসরত করলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া জরুরি।
অনেকেই মনে করেন বিশ্রাম নেওয়া মানে সারাটা দিন শুয়ে-বসে কাটানো। এমন ধারণা কিন্তু একেবারেই ঠিক নয়। ক্ষত নিরাময়ের জন্য বিশ্রাম নিলেও হালকা জগিং করাই যায়। সবচেয়ে ভাল হয় টানা তিন দিন শরীরচর্চা করার পর এক দিন বিশ্রাম নিলে। আবার, দু’দিন শরীরচর্চা করার পর এক দিন বিশ্রাম নেওয়া যেতেই পারে।