কিছু লক্ষণ দেখলে যমজ সন্তানের ইঙ্গিত পাওয়া যায় গর্ভে যমজ সন্তান আছে কি না। ছবি: সংগৃহীত
অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে নানা রকম বদল আসে। বহু হরমোনের ক্ষরণ শুরু হয়। তা মালুম পড়ে বিভিন্ন শারীরিক লক্ষণ দেখে। আপনার গর্ভে যমজ সন্তান রয়েছে কি না, তা পাকাপাকি ভাবে জানার একমাত্র উপায় আলট্রাসাউড স্ক্যান। কিন্তু অনেকেই মনে করেন, কিছু লক্ষণ দেখলে আগাম টের পাওয়া যায় যে, আপনার গর্ভে একাধিক ভ্রূণ রয়েছে কি না। সেগুলি কী, জেনে নিন।
১। বমির প্রবণতা
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় নানা রকম হরমোনের ক্ষরণ শুরু হয়। তাতেই অনেকের গা-বমি ভাব বা বমির প্রবণতা শুরু হয়। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার চার সপ্তাহ পর থেকেই এই লক্ষণ দেখা দেয়। অনেক সময়ে ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়ার আগেই এমন অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। ইংরেজিতে এই লক্ষণকে ‘মর্নিং সিকনেস’ বলে। তবে বলে রাখা ভাল, এই সমস্যা দিনের যে কোনও সময়ে হতে পারে। যাঁদের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ১৪ সপ্তাহ পর্যন্ত এই সমস্যা থেকে যায়, তাঁদের গর্ভে একাধিক ভ্রূণ থাকতে পারে।
ক্লান্তি
অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অন্যতম লক্ষণ ক্লান্তি। অনেকেই প্রথম মাসে এই ধরনের ক্লান্তি অনুভব করেন। ঘন ঘন প্রস্রাব পাওয়ার রাতের টানা ঘুম হয় না। তাই শরীরও পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম পায় না। যাঁদের এই ক্লান্তি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়, তাঁদের সম্ভাবনা থেকে যায় যমজ সন্তানের। তবে কেউ খুব বেশি ক্লান্ত মানেই যে গর্ভে যমজ সন্তান রয়েছে, এমনটার কোনও নিশ্চয়তা নেই।
উচ্চ এইচসিজি
এইসিজি বা হিউম্যান কোরিয়োনিক গোনাডোট্রোপিন নামের হরমোনের ক্ষরণ শুরু হয় অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়। হোম প্রেগন্যান্সি কিটে এই হরমোন ধরা পড়ে প্রস্রাবে। তবে রক্তে কতটা এইচসিজি রয়েছে, তা নির্ধারণ করতে পারে না এই পরীক্ষাগুলি। রক্ত পরীক্ষা করালে অবশ্য তা বোঝা যায়। ২০১৮ সালে করা এক সমীক্ষা বলছে, যাঁদের যমজ সন্তান ছিল গর্ভে, তাঁদের রক্তে এইচসিজি-র পরিমাণে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটা বেশি ছিল।
দ্বিতীয় হৃদ্স্পন্দন
৮ থেকে ১০ সপ্তাহের মাথায় সন্তানের হৃদ্স্পন্দন শোনা যায়। যদি আপনার চিকিৎসক মনে করেন, দ্বিতীয় কোনও হৃদ্স্পন্দন শোনা যাচ্ছে,তবে তা যমজ সন্তানের ইঙ্গিত হতে পারে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য বেশির ভাগ চিকিৎসক আলট্রা সাউন্ড স্ক্যান করতে বলবেন।
স্ফীত পেট
মোটামুটি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ২০ সপ্তাহ পরই কারও স্ফীত পেট দেখে বোঝা সম্ভব যে তিনি মা হতে চলেছেন। কিন্তু অনেকে যাঁরা যমজ সন্তানধারণ করেছেন, তাঁরা জানিয়েছেন, ২০ সপ্তাহের আগেই নাকি তাঁদের পেট স্ফীত হওয়া শুরু করেছিল। তবে বলে রাখা ভাল, কারও পেট ঠিক কোন সময়ে স্ফীত হবে, তা একেক জনের ক্ষেত্রে আলাদা হতেই পারে।
ওজন অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া
অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার প্রথম ১২ সপ্তাহ তেমন ওজন বাড়ে না। মোটামুটি ২ কেজি অবধি বাড়তে পারে। তবে ওজন বাড়া টের পাওয়া যায় তার পর থেকে। তবে যাঁদের যমজ সন্তান হয়েছে, তাঁরা অনেকে জানিয়েছেন, প্রথম ১২ সপ্তাহেই তাঁদের তুলনামূলক ভাবে বেশি ওজন বেড়েছিল।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or Continue with
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy