লন্ডনে সিএএ বিরোধী অবস্থান-বিক্ষোভ। —ফাইল চিত্র
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ)-সহ নরেন্দ্র মোদী সরকারের একাধিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গত কয়েক মাস ধরেই সরব ইউরোপের বিভিন্ন শহর। দিল্লির হিংসার পরে নাগরিক সমাজের সেই প্রতিবাদই আরও ছড়াল ইউরোপের বিভিন্ন শহরে।
ক’দিন আগেই লন্ডনের মঞ্চে দাঁড়িয়ে মোদী সরকারের কড়া সমালোচনা করেছিলেন প্রবাদপ্রতিম গিটারিস্ট ও পিঙ্ক ফ্লয়েডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা রজার ওয়াটারস। সে দিন তিনি ভারতীয় ছাত্র আমির আজিজের একটি কবিতার তর্জমাও পাঠ করেন। আজ সেই লন্ডনেই ফের পথে নামল নাগরিক সমাজ। লন্ডনে ভারতীয় হাইকমিশনের সামনে দুপুরে প্রায় ঘণ্টা তিনেক ধরে বিরাট সমাবেশ করেন তাঁরা। বিক্ষোভে শামিল হয়েছিলেন ছাত্র, শিক্ষক থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষ। দিল্লিতে সাম্প্রদায়িক হিংসা বন্ধ এবং আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানোর ডাক দিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি সিএএ, এনআরসি ও এনপিআর-এর বিরুদ্ধে সাহসী পদক্ষেপ করার আর্জিও জানান প্রতিবাদীরা। প্রতিবাদের ডাক দিয়েছে সাউথ এশিয়া সলিডারিটি গ্রুপ, দ্য স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিস ইন্ডিয়া সোসাইটি এবং সাউথ এশিয়ান স্টুডেন্টস এগেনস্ট ফ্যাসিজম। লন্ডনের পাশাপাশি আজ বার্লিন, ব্রাসেলস, ডাবলিন, ফ্রাঙ্কফুর্ট, জেনিভা, দ্য হেগ, হামবুর্গ, হেলসিঙ্কি, মিউনিখ, প্যারিস, স্টকহলম, কোন (জার্মানি), ক্র্যাকো (পোলান্ড), টাম্পেরেতেও (ফিনল্যান্ড) প্রতিবাদ মিছিলে পা মিলিয়েছেন ছাত্র-শিক্ষক, বিশিষ্টজনেরা। ব্রিটেনের সারে সিটি হল এবং গ্লাসগোর জর্জ স্কোয়ারে ফের প্রতিবাদ মিছিল হবে বলে খবর।
বার্লিনে প্রতিবাদ কর্মসূচি নির্ধারিত ছিল দুপুর দুটো নাগাদ। পটসডামা প্লাজ় থেকে ভারতীয় দূতাবাস পর্যন্ত মিছিল হয়। ডাবলিন, প্যারিস, স্টকহলম এবং দ্য হেগ-এ ভারতীয় দূতাবাসের সামনে জমায়েত করেছিলেন প্রতিবাদীরা। হামবুর্গ এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ভারতীয় কনসুলেট জেনারেলের অফিসের বাইরে প্রতিবাদ হয়। জেনিভার
মিসন ডি লা পে চত্বরে পথে নামেন মানুষ। জার্মানির কোনে ক্যাথিড্রালের বাইরে প্রতিবাদ হয়। মিউনিখ থেকে ভিয়েনার কার্লসপ্লাজ় পর্যন্ত হিংসার বিরুদ্ধে সরব হন প্রতিবাদীরা।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or Continue with
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy