প্রতীকী ছবি।
ফের এক নাবালিকাকে লুকিয়ে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হল ঝালদা শহরে। নাবালিকা নিজেই প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ায় শেষমেষ বিয়ে ভেস্তে দেওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছে পুরুলিয়া জেলা ‘চাইল্ডলাইন’।
প্রশাসন জানিয়েছে সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে ঝালদার এক কিশোরী সিডিপিও-র (ঝালদা) দফতরে গিয়ে জানায়, নির্দিষ্ট বয়স না হলেও জোর করে তার বিয়ে দিয়ে দিতে চাইছে পরিবার। সেখান থেকে পুরো বিষয়টি জানানো হয় ‘চাইল্ডলাইন’-এ। পরদিন, বুধবার পুলিশ এবং প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে সে বাড়িতে গিয়ে বিয়ে রোখা হয়েছে বলে জানান পুরুলিয়া জেলা ‘চাইল্ডলাইন’-এর কো-অর্ডিনেটর অশোক মাহাতো। ঝালদা থানার পুলিশ জানিয়েছে, বিয়ের প্রস্তুতি জোরকদমে চলছিল। খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, কিছু দিন পরেই ওই কিশোরীর বিয়ের দিনক্ষণ স্থির হয়েছিল।
শেষ পর্যন্ত পুলিশের সামনে ওই পরিবার মুচলেকা দিয়ে জানিয়েছে, মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হবে না।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে,ওই কিশোরীর বয়স সতেরো বছর। সে ঝালদার একটি স্কুলে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়া। সে প্রশাসনকে জানিয়েছে, এখন পড়াশোনা করতে চায়। ‘চাইল্ডলাইন’-এর কাছে ওই কিশোরীর বাবা দাবি করেছেন, মুটের কাজ করে কোনও রকমে সংসার চলে। তাই সম্বন্ধ আসায় আর না করেননি। তবে শেষ পর্যন্ত নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
দিন কয়েক আগে পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডি এলাকার এক কিশোরী থানায় ফোন করে নিজের বিয়ে ভেঙে দিয়েছিল। এসডিপিও (ঝালদা) সুমন্ত কবিরাজ বলেন, ‘‘ইদানীং দেখা যাচ্ছে, মেয়েরা নিজেরাই বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াচ্ছে। খবর পাওয়ার পরেই ঝালদায় নাবালিকার বিয়ে রুখে দেওয়া হয়েছে। পরিবারটির উপরে নজর রাখা হচ্ছে।’’
সিডিপিও (ঝালদা ১) সৌম্যজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ওই কিশোরীর সাহসিকতা প্রশংসনীয়। ও নিজে এ ভাবে এগিয়ে না এলে হয়তো আরও একটা নাবালিকা বিয়ের ঘটনা ঘটে যেত।’’
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or Continue with
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy