Advertisement
E-Paper

উন্নয়নমূলক কাজ থমকে

বর্তমানে পুরসভায় প্রশাসক বোর্ডের চেয়ারপার্সন এবং ভাইস চেয়ারপার্সনের পদে দায়িত্বে আছেন সন্দীপ বিশ্বাস ও অরিন্দম সরকার।

শহরের বিধাননগরের রাস্তায় আবর্জনার স্তূপ।

শহরের বিধাননগরের রাস্তায় আবর্জনার স্তূপ। নিজস্ব চিত্র।

গৌর আচার্য 

শেষ আপডেট: ০১ এপ্রিল ২০২৫ ০৯:২২
Share
Save

রায়গঞ্জ পুরসভার তৃণমূল পরিচালিত পুর-বোর্ডের মেয়াদ শেষের পরে বছর তিনেক পরেও পুরভোট কবে হবে, সে বিষয়ে সরকারি ভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। মেয়াদ শেষের পরে রাজ্য সরকার মনোনীত প্রশাসক-বোর্ড পুরসভা পরিচালনা করছে।

বর্তমানে পুরসভায় প্রশাসক বোর্ডের চেয়ারপার্সন এবং ভাইস চেয়ারপার্সনের পদে দায়িত্বে আছেন সন্দীপ বিশ্বাস ও অরিন্দম সরকার। সন্দীপ ও অরিন্দম বিদায়ী তৃণমূলের পুর-বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সামলেছেন। অভিযোগ, পুরবোর্ড না থাকায় শহরে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। নানা শংসাপত্র-সহ বিভিন্ন পরিষেবা নিতে গিয়ে বাসিন্দাদের হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। তাই পুরভোট করানোর দাবিতে বিরোধীদের পাশাপাশি তৃণমূলের বিদায়ী পুর প্রতিনিধিরাও সরব। পুরসভার প্রশাসক-বোর্ডের চেয়ারপার্সন তথা উত্তর দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র সন্দীপের দাবি, “শহরের সার্বিক উন্নয়ন ও নাগরিক পরিষেবার কাজ ঠিক মতো চলছে। ভোটে লড়ার জন্য আমরা প্রস্তুত।” মহকুমাশাসক (রায়গঞ্জ) কিংশুক মাইতি জানান, পুরভোট কবে করানো হবে তা রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের এক্তিয়ারভুক্ত।

রায়গঞ্জ শহর কংগ্রেসের সভাপতি গৌতমকুমার দাসের অভিযোগ, ২০১৭ সালে তৃণমূল সন্ত্রাস ও ভোট লুট করে পুরসভা দখল করে। তাঁর দাবি, “স্বচ্ছ ভোট হলে তৃণমূল রায়গঞ্জ পুরসভার ক্ষমতায় ফিরবে না। তাই ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় তৃণমূল সরকারি ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে এখন পুরভোট করাচ্ছে না।” সিপিএমের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য উত্তম পালের দাবি, “তৃণমূল পরিচালিত পুর বোর্ডের আমলে কাটমানি, লুট ও তোলাবাজি ছাড়া উন্নয়ন হয়নি। হেরে যাওয়ার ভয়ে তৃণমূল পুরভোট আটকে রেখে পুরসভার ক্ষমতা ভোগ করছে।” বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার বলেছেন, “শহরে রাস্তা বেহাল। তৃণমূলের পুর-বোর্ডের আমলে নিকাশি পরিকাঠামো তৈরি ও বাড়ি-বাড়ি জল সরবরাহের প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি। পুরভোট হলে তৃণমূল যে হারবে তা সবাই জানেন।”

পুরসভার বিদায়ী তৃণমূলের পুর-প্রতিনিধি বরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রসেনজিৎ সরকার ও চৈতালি ঘোষ সাহার দাবি, ওয়ার্ডের মানুষকে আরও ভাল পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার স্বার্থে সমস্ত বিদায়ী পুর-প্রতিনিধিরাই দ্রুত পুরভোট চান। জেলা তৃণমূল সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালের বক্তব্য, “তৃণমূল পরিচালিত পুরসভা ২০১৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত শহরের মানুষের আপদ-বিপদে পাশে রয়েছে। দলের পুর-বোর্ডের আমলে রায়গঞ্জ শহরে সব ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। বিরোধীরা অপপ্রচার করছে। যখনই ভোট হোক, উন্নয়ন ও সম্প্রীতির স্বার্থে তৃণমূলই ভোটে জিতে পুরসভা দখল করবে।”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

raiganj

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or Continue with

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy

{-- Slick slider script --}}