বয়সজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে বৃদ্ধার। কিন্তু বন্যার জেরে এলাকা জলমগ্ন। বাড়ির চারপাশ জলে ডুবে থাকায় সৎকারও করা যায়নি। বৃহস্পতিবার সেই দেহ উদ্ধার করে আনল জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। তার পর দেহ সৎকারের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার আমতার সেয়াগড়ি এলাকায়।
দুর্গাপুর ব্যারাজের জল ছাড়ার জেরে প্লাবিত হয়েছে হাওড়ার আমতা এবং উদয়নারায়ণপুরের বিস্তীর্ণ এালাকা। আমতার সেয়াগড়ি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন তারা চক্রবর্তী। ৮১ বছর বয়সি ওই বৃদ্ধার মৃত্যু হয় বুধবার সন্ধ্যায়। কিন্তু বন্যার জেরে চারপাশ জলমগ্ন থাকায় সৎকারের ব্যবস্থা করতে পারেননি পরিবারের লোকেরা।
বন্যাকবলিত ওই এলাকায় স্পিডবোট নিয়ে উদ্ধারকাজে গিয়েছিল জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর একটি দল। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাহিনীর সদস্যরা তারার দেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসে। তার পর সেই দেহ বাউড়িয়ায় সৎকারের জন্য পাঠানো হয়েছে।
অন্য এক ঘটনায়, মঙ্গলবার বন্যার জলে ডুবে উদয়নারায়নপুরে মৃত্যু হয়েছে এক কিশোরীর। তার নাম রিমা রক্ষিত (১৬)। সে জোকার বাসিন্দা। বাড়ির সামনে দিয়ে তীব্র বেগে বয়ে যাওয়া জলে ভেসে যায় রিমা। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।