দাড়ি কামানোর পরেই চুলকানি, লালচে র্যাশের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। আবার এমনও দেখা যায়, যে ছেলেরা বড় দাড়ি রাখছেন, তাঁদের ত্বকে চুলকানি, ব্রণ বা গুটি গুটি র্যাশের সমস্যা হচ্ছে। ত্বক খুব শুষ্ক হয়ে গিয়ে, আঁশের মতো ছাল উঠতে শুরু করেছে। এ সবই হতে পারে খুশকির জন্য বা ছত্রাকের সংক্রমণের জন্য। দাড়িতে এমন এক ধরনের ছত্রাকের সংক্রমণ হয়, যার থেকে ত্বকের রোগও হতে পারে। তাই চুলের যেমন পরিচর্যা করছেন, তেমন দাড়িরও যত্নও নেওয়া জরুরি।
দাড়ি থেকে কী সংক্রমণ হতে পারে?
ম্যালাসেজ়িয়া নামে এক ধরনের ছত্রাক জন্মায় দাড়িতে। যাঁরা সঠিক ভাবে যত্ন নেন না, তাঁদের ক্ষেত্রেই ছত্রাকের সংক্রমণ বেশি ঘটে। ম্যালাসেজ়িয়ার কারণে ত্বক খুব শুষ্ক হয়ে যায়। দাড়িতে খুশকি হতেও দেখা যায়। এর থেকে সেবোরিক ডার্মাটাইটিস নামে এক ধরনের ত্বকের রোগও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ত্বকে লাল র্যাশ হবে, প্রদাহজনিত সমস্যা দেখা দেবে।
আরও পড়ুন:
কী ভাবে পরিচর্যা করবেন?
১) দাড়িতেও কিন্তু নিয়ম করে শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। জ়িঙ্ক, সেলেনিয়াম সালফাইড, পাইরিথিয়ন জ়িঙ্ক আছে, এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারলে ভাল হয়।
২) শ্যাম্পুতে কিটোকোনাজ়ল নামক উপাদান আছে কি না দেখে নেবেন। এমন শ্যাম্পু অ্যান্টি-ফাঙ্গাল হয়। ছত্রাকের সংক্রমণ রোধ করতে খুবই কার্যকরী।
৩) দাড়ি ধোয়ার জন্য ব্যবহার করতে হবে কোনও ফেসওয়াশ। স্নানের সাবান দাড়িতে দেবেন না।
৪) অতিরিক্ত ঠান্ডা বা বেশি গরম জল দিয়ে মুখ ধোবেন না। হালকা গরম জল দিয়ে রোজ ভাল ভাবে দাড়ি ধুতে হবে।
৫) মুখ ধোয়ার পর রোজ ভাল ভাবে ময়েশ্চারাইজ়ার মাখতে হবে মুখে, এমনকি, দাড়ির উপর দিয়েও। তাতে ত্বক আর্দ্র থাকবে।
৬) ইউক্যালিপটাস তেল, টি ট্রি অয়েল, সাইট্রাস অয়েল, আমন্ড অয়েল, অলিভ বা নারকেল তেলও দাড়িতে মাখা যাবে। স্নানের মিনিট পনেরো আগে দাড়িতে তেল লাগিয়ে রাখতে পারেন। এতে দাড়ির নীচের ত্বক ভাল থাকবে।