সৌন্দর্য এবং গুরুত্বের দিক থেকে কোনার্ক সূর্য মন্দিরের নাম বিশ্বজোড়া। ছবি: সংগৃহীত।
দেশের ঐতিহ্য রক্ষার ভার যাদের কাঁধে, সেই ‘আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (এএসআই)’-র বিরুদ্ধেই অভিযোগ উঠল দেশের ঐতিহাসিক মন্দির নষ্টের। অভিযোগ, কোনার্ক সূর্য মন্দিরের ঐতিহ্য এবং সৌন্দর্য নষ্ট করছে এএসআই। পদ্মশ্রী প্রাপক শিল্পী সুদর্শন পট্টনায়ক ওড়িশার এক সংবাদমাধ্যমে এএসআই-এর বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ এনেছেন।
সৌন্দর্য এবং গুরুত্বের দিক থেকে কোনার্ক সূর্য মন্দিরের নাম বিশ্বজোড়া। ‘কালো প্যাগোডা’ নামে পরিচিত বিখ্যাত এই মন্দিরকে সম্প্রতি ঢেলে সাজাতে উদ্যোগী হয়েছে এএসআই। তার জন্য মন্দিরের বিভিন্ন জায়গায় এলইডি লাইট লাগানো হয়েছে। সুদর্শনের অভিযোগ, এই লাইট লাগানোর জন্য মন্দিরের সহজাত সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। মন্দিরের দেওয়ালে আলো লাগানোকে ‘ব্যান্ড পার্টি’র আলোর সঙ্গেও তুলনা করেছেন সুদর্শন।
সুদর্শন বলেন, “রাতে দূর থেকে মন্দিরের দিকে তাকালে মন্দিরের দেওয়ালে আলোর রেখা নিয়ে মাথায় প্রশ্ন জাগবে। আমি সব সময়ই মন্দির আলোকিত করার পক্ষে। কিন্তু বর্তমান আলোর ব্যবস্থা স্মৃতিসৌধের সৌন্দর্য বাড়ানোর বদলে কমাচ্ছে। মন্দিরে লাগানো এই লাইটগুলি স্মৃতিস্তম্ভের সৌন্দর্যকে কলঙ্কিত করছে।’’
মন্দিরের দেওয়ালে লাগা আলোর বিরোধিতা করে, পট্টনায়ক এর আগে একটি টুইটের মাধ্যমে এএসআই কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন।
পট্টনায়কের পাশাপাশি, কোনার্ক সুরক্ষা সমিতিও মন্দিরের দেওয়ালে বর্তমান লাগানো আলোগুলি সরানোর দাবি তুলেছে।
কোনার্ক সুরক্ষা সমিতির সেক্রেটারি রামকৃষ্ণ মোহান্তি বলেন, “মন্দিরের দেওয়ালের পাথরগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই ক্ষতি আড়াল করার জন্য আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। মন্দিরের আসল সৌন্দর্য প্রকাশ্যে আনা উচিত এবং মন্দিরের সৌন্দর্য বাড়ানো উচিত।’’
দেশের সংস্কৃতি মন্ত্রকের অধীনে ১৮৬১ সালে প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা এবং দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছিল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (এএসআই)। কোনার্ক নিয়ে তাদের সাম্প্রতিক অবস্থান নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে এএসআইয়ের মত জানা যায়নি।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or Continue with
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy