সইফ আলি খানের উপর হামলার ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন কন্যা সারা আলি খান। ঘটনার পরের সকালে বাবাকে দেখতে ছুটে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। এখন পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক। কিন্তু এই ঘটনাই জীবনের গুরুত্ব বুঝিয়ে দিয়েছে তাঁকে। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগে পর্যন্ত পরিস্থিতি অন্য রকম ছিল। মনে হচ্ছিল, সব শেষ হতে চলেছে। সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন সারা।
সেই রাতে মনের অবস্থা নিয়ে সারা বলেছেন, “আমি ভেঙে পড়েছিলাম। এর চেয়ে বেশি আমার মনে নেই। আমি ভয়ে পাথর হয়ে গিয়েছিলাম। সৌভাগ্যবশত বিষয়টা বেশি জটিল হয়নি। কিন্তু বাবাকে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, ওই ১৫-২০ মিনিট সময় একটা গোটা জীবনের মতো মনে হচ্ছিল। তবে আমরা দ্রুত স্বস্তি পেয়েছিলাম।”
ঘটনার পাঁচ দিনের মাথায় লীলাবতী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন সইফ। বাবাকে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসতে দেখে স্বস্তির নিঃশ্বাস নিয়েছিলেন সারা। অভিনেত্রীর কথায়, “বাবা এমনই। চার সন্তানের বাবা তিনি। দুই সন্তান নিতান্তই শিশু। তাই বাবা হিসেবে তিনি দেখাতে চেষ্টা করছিলেন, সব ঠিক আছে। তিনি বরাবরই একজন যোদ্ধার মতো। কখনও হাল ছেড়ে দেন না। এইটা আমি বাবার থেকে শিখি। কারণ আমাদের পেশাতেও কখনও হাল ছাড়া যায় না। যা হয়ে যাক, সাহসী মুখ নিয়ে বলতে হয়, ‘আমি ঠিক আছি’।”
যে কোনও চাপের মুহূর্তে মাথা ঠান্ডা রাখতে জানেন সইফ। সারা বলেছেন, “চাপের মুহূর্ত অন্যদের থেকে বাবা অনেক ভাল ভাবে সামাল দেন। আমি তো খুব ভয় পেয়ে যাই। অথবা কান্নাকাটি জুড়ে দিই।”
উল্লেখ্য, ১৬ জানুয়ারি মধ্যরাতে সইফের বাড়িতে ঢুকে পড়েছিল এক দুষ্কৃতী। চুরির উদ্দেশ্য নিয়েই প্রবেশ করেছিল সে। কিন্তু বাধা দেওয়ায় সইফের উপর ছ’বার ছুরিকাঘাত করেছিল সে। আহত অবস্থায় লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল সইফকে।