করে মুক্তি দিয়েছে। আন্দোলনের সময়ে একের পর এক জেল ভেঙে জঙ্গিদের মুক্ত করেছে তাঁর তরুণ বন্ধুরা। থানা দখল করে পুলিশদের খুন করে লুট করা অস্ত্রশস্ত্র তুলে দিয়েছে জঙ্গিদের হাতে।”
হাইনানের পাট মিটিয়ে ইউনূস এ দিন বিমানে বেজিংয়ে পৌঁছেছেন। শুক্রবার তাঁর সঙ্গে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠক হতে পারে। এই বৈঠকে ‘বড় কিছু’ ঘোষণা হতে পারে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় চিনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বাংলাদেশে বিপুল বিনিয়োগ করেছে চিন। বিশেষ করে দক্ষিণ বাংলাদেশে চিনের এক্সিম ব্যাঙ্কের অর্থসাহায্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ করেছে আগের সরকার, যার ফলে বাংলাদেশের পরিবহণ পরিকাঠামো বদলে গিয়েছে। সেই এক্সিম ব্যাঙ্ক বলেছে, চিনের ম্যানুফ্যাকচারিং সংস্থাগুলি বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন করতে চাইলে তারা অর্থ সাহায্য করবে। এই কারখানা থেকে এলাকার অন্য দেশগুলিতে চিনা পণ্য রফতানি হতে পারবে, যাতে বাংলাদেশে কাজের সুযোগ বাড়বে।
গোল বেঁধেছে পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠান নিয়ে। ইউনেস্কোর বিশ্ব-সংস্কৃতির তকমা প্রাপ্ত মঙ্গল শোভাযাত্রা এ বারেও করা হবে বলে ঘোষণা করেছে ইউনূস সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রক। কিন্তু সরকার সমর্থক মৌলবাদী দলগুলির তাতে সায় নেই। ইসলামি আন্দোলনের নেতারা আজ ফের দাবি করেছে, পয়লা বৈশাখ পালন তাদের ধর্ম ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ নয়। মঙ্গল শোভাযাত্রা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। শোভাযাত্রার নাম বদলানোর দাবি করেছিল কিছু মৌলবাদী। সরকার তা মানেনি। এ বার চারুকলা অনুষদের ২৬ তম ব্যাচ এই অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ও সাজসজ্জা না করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। নির্দিষ্ট ব্যাচের ছাত্ররাই মুখোশ ও অন্য শিল্পকর্ম তৈরি করা থেকে আলপনা আঁকা পর্যন্ত যাবতীয় কাজ করতেন। এ বার এই ব্যাচের সে কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু এই ছাত্ররা জানিয়েছেন, সব কিছুই উপরের নির্দেশে শিক্ষকেরা পরিকল্পনা করছেন। তাঁদের কোনও মতামত নেওয়া হচ্ছে না। তাই তাঁরা এ বার অনুষ্ঠানের সাজসজ্জায় অংশ নিচ্ছেন না।
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)