চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় সংসদের নির্বাচন না হলে বাংলাদেশ আবার অস্থির পরিস্থিতির গ্রাসে চলে যেতে পারে। সোমবার এই ভাষাতেই মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে হুঁশিয়ারি দিল সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দল বিএনপি।
গত ৫ অগস্ট জনবিক্ষোভের জেরে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার তিন দিন পরে অন্তর্বর্তী সরকারের মুখ্য উপদেষ্টার দায়িত্ব নিয়েছিলেন ইউনূস। তার পর থেকেই ধারাবাহিক ভাবে দ্রুত নির্বাচন চেয়ে তাঁর উপর চাপ দিয়ে চলেছে বিএনপি। কিন্তু গত ২৫ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন জাতির উদ্দেশে ভাষণে ইউনূস জানিয়েছিলেন, চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে জাতীয় সংসদের নির্বাচনের আয়োজন করা হবে।
আরও পড়ুন:
ঘটনাচক্রে, তার পরেই এই প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিএনপি। দলের অন্যতম মুখপাত্র তথা সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণ কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেছেন, ‘‘চলতি বছরের মধ্যেই গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একটি সরকার চায় বিএনপি।’’ এক পরেই তাঁর হুঁশিয়ারি, ‘‘ঠিক সময়ে নির্বাচন না হলে, জনগণের মধ্যে জোরালো অসন্তোষ দেখা দেবে। যার পরিণতিতে দেশে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।’’ প্রসঙ্গত, রাজনীতি, অর্থনীতি ও প্রশাসনের সার্বিক সংস্কার কর্মসূচির নাম করে ইউনূস এবং অন্তর্বর্তী সরকারে শামিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা ভোট পিছিয়ে দিতে চাইছেন বলে আগেই অভিযোগ তুলেছিল খালেদার দল। সংস্কারের অছিলায় ভোট পিছিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ সমর্থন করায় জামায়াতে ইসলামিকেও নিশানা করেছে তারা। এ বার সরাসরি দেশের অস্থিরতা তৈরির ‘হুঁশিয়ারি’ দিল বিএনপি।