ফাইল চিত্র।
গরু পাচার কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত এনামুল হকের তিন আত্মীয়কে নোটিস পাঠাল সিবিআই। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নিজাম প্যালেসে তাঁদের হাজির হওয়ার কথা বলে সিবিআই সূত্রের খবর। মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দা ওই তিন আত্মীয় পলাতক বলেও দাবি করেছেন তদন্তকারীরা। এনামুলের এক অফিস ম্যানেজারের হাতে ওই নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর।
সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলায় এনামুলের নামে ও বেনামে চারটি চালকল রয়েছে। এনামুলের ওই তিন আত্মীয় চালকলগুলি দেখাশোনা করেন বলে সিবিআইয়ের দাবি। তা ছাড়া এনামুলের বেআইনি পাথরকুচির ব্যবসাও ওই তিন আত্মীয় দেখাশোনা করেন বলে সিবিআই জানিয়েছে। মাস খানেক আগেই ওই তিন জন মুর্শিদাবাদ ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তদন্তকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, গরু পাচার কাণ্ডে এনামুলের চালকলে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে বহু নথি উদ্ধার করা হয়েছে। ওই সব নথি যাচাইয়ের পরেই তিন আত্মীয়কে রবিবার নোটিস জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
এ দিনই পুরুলিয়ার কাশীপুরের হাটতলা মোড়ে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, ‘‘পুরুলিয়া জেলার নিতুড়িয়া, সাঁতুড়ি, রঘুনাথপুরে অনেক কয়লা পাওয়া যায় এবং অনেক জায়গায় পাথরের খাদানও আছে বলে তোলাবাজ ভাইপোর দৃষ্টি এ দিকে পড়েছিল।’’ শুভেন্দু বলেন, ‘‘এখানে অনুপ মাঝি ওরফে লালার নেতৃত্বে কী ভাবে কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পদ, খনিজ সম্পদ লুট হয়েছে সেটা আপনারা সবাই জানেন।’’
যুব তৃণমূলের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক এবং সম্প্রতি পাচারের ঘটনায় অভিযুক্ত বিনয় মিশ্রকে নিয়েও এ দিন ওই সভা থেকে অভিযোগ করেন শুভেন্দু। দাবি করেন, জেলার পুলিশ কর্তারা বিনয়কে স্যালুট করতেন। পুরুলিয়া শহরে তিনতারা হোটেলে থাকতেন বিনয় আর তৃণমূলের বয়স্ক নেতাদের ডেকে কান ধরে ওঠবোস করাতেন বলেও তাঁর দাবি।
তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ‘‘সারদা-নারদের তদন্ত ঠিক ভাবে হলে এই সব মীরজাফরদের এখন জেলে থাকতে হত। এরাই এখন বিজেপিতে গিয়ে দুর্নীতি নিয়ে গলা ফাটাচ্ছে। হলদিয়া বন্দর জানে সেখানে কে তোলাবাজি চালিয়েছে। সে সবের তদন্ত হবে।’’
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or Continue with
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy