জামুড়িয়ায় আটক গরু বোঝাই ট্রাক। নিজস্ব চিত্র।
গরু পাচারের মামলা এ রাজ্য থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত হয়েছে। রাউজ অ্যাভিনিউ কোর্টে ইডি এবং সিবিআইয়ের মামলার শুরু হয়েছে শুনানি। অভিযোগ, আসানসোল সিবিআই আদালত থেকে মামলা সরে যেতেই ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে স্থানীয় গরু পাচার চক্র। জামুড়িয়ায় বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই গরু নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে বুধবার রাতে জাতীয় সড়কের উপর থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা আটক করেন একটি ট্রাক। উদ্ধার করা হয় ৩১টি গরু।
রাতের অন্ধকারে গরুগুলি পাচার হচ্ছিল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। নিঘা এলাকায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে ওই গরু বোঝাই ট্রাকটি আটক করে জামুরিয়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেন তাঁরা। ট্রাকে ১৮টি গরু এবং ১৩টি বাছুর ছিল। গরু বোঝাই লরির কাগজপত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অভিযোগ, ওই ট্রাকের চালক এবং খালাসি পালিয়ে যাওয়ায় কাগজপত্র পুলিশের হাতে আসেনি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশ জানিয়েছেন, ট্রাকটির নম্বর পশ্চিমবাংলার। তাই ঝাড়খণ্ড থেকে লরিটি ঢুকে কোথায় যাচ্ছিল সেই নিয়ে ধন্দে রয়েছে পুলিশ। ওই লরিতে যে ভাবে গাদাগাদি করে গরু নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তাতে দু’টি বাছুর অচেতন হয়ে গিয়েছে। আরও বেশ কয়েকটি অসুস্থ বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দা ব্রিজভূষণ পাসোয়ান বৃহস্পতিবার বলেন, “গাদাগাদিতে দু’টি বাছুর মারা গিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।’’
বুধবার রাতেই আসানসোলের জামুড়িয়া থানার শ্রীপুর এলাকা থেকে রানিগঞ্জের পঞ্জাবি মোড় ফাঁড়ি এলাকায় গরু বোঝাই ওই লরিটি নিয়ে যাওয়া হয়। আপাতত স্থানীয় একটি গোশালায় গরুগুলিকে রাখা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা গরু পাচারের অভিযোগে ট্রাকটি আটক করেছেন। বৈধ কাগজপত্র আছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোথা থেকে এই গরুগুলি নিয়ে আসা হচ্ছিল এবং কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or Continue with
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy