২০০৮ সালের পর প্রথম বার চেন্নাইয়ের ঘরের মাঠ চিপকে জিতল বেঙ্গালুরু। সেই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেন অধিনায়ক রজত পাটীদার এবং জশ হেজলউড। প্রথম জনের অর্ধশতরান এবং দ্বিতীয় জনের তিন উইকেট বেঙ্গালুরুকে জেতাল। ম্যাচের পর মোড় ঘোরানো মুহূর্ত বেছে নিলেন বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক।
১৯৭ রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই তিনটি উইকেট হারিয়েছিল চেন্নাই। পাটীদারের মতে, ওখানেই ম্যাচ তাঁদের দিকে ঘুরে গিয়েছিল। বলেছেন, “প্রথম ছয় ওভারে তিনটে উইকেট পাওয়া দারুণ ব্যাপার। বোলারেরা একটা নির্দিষ্ট লেংথে বল করে সাফল্য পেয়েছে। কারণ ব্যাটে বল ভাল ভাবে আসছিল না।”
বোলারদেরও ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে বুদ্ধি করে ব্যবহার করেছেন পাটীদার। ঘূর্ণি উইকেটে প্রাধান্য দিয়েছেন স্পিনারদের। সে প্রসঙ্গে বলেছেন, “এই পিচে স্পিনারদের জন্য অনেক কিছু ছিল। তাই আমি চেষ্টা করেছি যতটা সম্ভব শুরুর দিকে স্পিনারদের ব্যবহার করে নেওয়ার। লিভিংস্টোনের কথা আলাদা করে বলব। যে ভাবে চারটে ওভার করল তা অসাধারণ।”
অর্ধশতরান করলেও তিন বার পাটীদারের ক্যাচ পড়েছে। তবে সে সব নিয়ে ভাবছেন না কোহলির দলের অধিনায়ক। তাঁর সাফ কথা, “আমি চাইছিলাম ২০০ তুলতে। তা হলে সহজে রান তাড়া করতে পারত না ওরা। ঠিক করেছিলাম যত ক্ষণ ক্রিজ়ে থাকব প্রতিটা বল কাজে লাগাব।” তাঁর সংযোজন, “চিপকে জেতা সব সময় বিশেষ অনুভূতির। এই পিচে ভালই রান তুলতে পেরেছি আমরা। কারণ চার-ছয় মারা সহজ ছিল না।”
আরও পড়ুন:
ম্যাচের সেরা হেজলউড মনে করেন, আগের ম্যাচের থেকেও উন্নতি করেছেন তাঁরা। অস্ট্রেলীয় বোলারের কথায়, “কেকেআর ম্যাচের থেকেও উন্নতি করেছি। পরিস্থিতি ভাল ভাবে কাজে লাগিয়েছি। পেস এবং স্পিন বোলিং বিভাগ দুটোই দারুণ খেলেছে। এই উইকেটে বল পড়ে উঁচু-নিচু হয়ে গিয়েছে। পায়ের সামনে বল করলে খেলা সহজ ছিল। তাই মাঝ পিচে বল করার চেষ্টা করেছি।”
ফিল্ডারদের নিয়ে তিনি বলেছেন, “ওরা অনেক রান বাঁচিয়েছে। এতে বোলারেরাও উদ্বুব্ধ হয়। গোটা দলের মধ্যে দারুণ ইচ্ছাশক্তি লক্ষ করেছি।”