রান্না আর কি বড় ব্যাপার! নিয়ম-কানুন জানলে সবটাই সহজ, বলেন অনেকে। ঘরোয়া হোক বা বিদেশি— ইদানীং যে কোনও রান্নার প্রণালী জানা যায় সমাজমাধ্যমে চোখ রাখলেই। কিন্তু সে সব দেখলেই কি সুস্বাদু রান্না করা যায়?
রন্ধনশিল্পী মনোজকুমার পাণ্ডের কথায়, ‘‘কোন বিশেষত্ব নয়, বরং ভাল রান্নার গোপন কথা হল অভ্যাস। লোকজন সাধারণত এক বার রন্ধন প্রণালীতে চোখ বুলিয়ে মনে করেন, তিনি বুঝে গিয়েছেন। কিন্তু এতেই হয়ে যায় ভুল। রান্নার অনকে সূক্ষ্ম কৌশল বাদ পড়ে যায়।’’
১। রান্না যতটা সহজ মনে হয়, সব সময় কিন্তু তা নয়। একই রান্নার স্বাদ পাল্টে যেতে পারে যদি তার কৌশল বদল হয় বা কোনও একটি প্রক্রিয়া বাদ পড়ে যায়। রন্ধনশিল্পীর পরামর্শ, একই রান্না একাধিক বার করা হলেও একই রকম স্বাদ পেতে প্রতিটি ধাপ সঠিক ভাবে অনুসরণ করতে হবে।
২। রান্নায় নুন, চিনি, মশলার মাপ সম্পর্কে ধারণা হয়ে যায় অভিজ্ঞ রাঁধুনিদের। তবে যাঁরা নতুন তাঁদের তো বটেই, পাকা রাঁধুনিরও যে কোন রান্নাই পরিবেশন বা নামানোর আগে নুন, চিনি চেখে দেখা দরকার। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস অনেক সময় সমস্যায় ফেলতে পারে।
৩। রান্নায় তাপমাত্রার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আঁচ বাড়িয়ে ভাজাভাজি করলে, দ্রত সেটি ভাজা হলেও ভিতর কাঁচা রয়ে যায়। আবার মাংস জল দিয়ে বেশি তাপমাত্রায় ফোটালে এক রকম স্বাদ হয়, আঁচ কমিয়ে ঢাকা দিয়ে রান্না করলে তার স্বাদ হয় অন্য রকম। আবার অনেক রান্না বেশি আঁচেই করার নিয়ম। রন্ধনশিল্পী, রান্নার সময় তাপমাত্রার এই বিষয়টিতেও গুরুত্ব দিতে বলছেন।
৪। নুন, মশলা ঠিক রাখার পাশাপাশি বেশ কিছু পদে সামান্য একটু চিনি বাড়তি স্বাদ যোগ করে বলছেন রন্ধনশিল্পী। তবে তা মাপ বুঝে দিতে হবে।