রূপ নিয়ে যাঁদের মাথাব্যথা, চুল তাঁদের কাছে গরুত্বপূর্ণ। কারণ চুল মুখের আদলে বাড়তি সৌন্দর্য্য যোগ করে বলে বিশ্বাস। শুধু মহিলা নয়, পুরুষদের ক্ষেত্রেও এমনটা মনে করা হয়। এক কালের ঘন চুলের সৌন্দর্য নিয়ে তাই আফশোস করতে দেখা যায় বহু বিরলকেশ প্রৌঢ় বা বৃদ্ধকে। মহিলারাও বিগত ‘এক ঢাল চুল’ নিয়ে আফশোস কম করেন না। কিন্তু বয়সের ভারে, চারপাশে বাড়তে থাকে দূষণের দৌলতে, পুষ্টির অভাবে চুল ঝরতে থাকে। নষ্ট হয় চুলের স্বাস্থ্য। হারায় ঔজ্জ্বল্য। চুলের যত্ন নেওয়ার তদ্বির শুরু হয় যখন, তত দিনে খানিকটা দেরি হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় চুলের স্বাস্থ্য ফেরানো কি সম্ভব?
পুষ্টিবিদেরা জানাচ্ছেন, সম্ভব। তবে ক্ষতি বেশি হলে আর তেল, শ্যাম্পু, চুলের মাস্কে কাজ হবে না। মন দিতে হবে সমস্যার গোড়ায়। দেখতে হবে চুলের স্বাস্থ্যের যে সমস্ত পুষ্টিগুণ দরকার, তা শরীরে ঠিকমতো যাচ্ছে কি না। যদি শরীর সেই সমস্ত পুষ্টি না পায়, তবে সেই সমস্ত পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। চুলের স্বাস্থ্যের জন্য যে সমস্ত ভিটামিন, খনিজের প্রয়োজন তা ভরপুর রয়েছে বিভিন্ন ধরনের বাদামে। এমন ৫টি বাদাম নিয়মিত খেলে চুলের ঘনত্ব বাড়বে। ফিরবে স্বাস্থ্যও।

ছবি: সংগৃহীত।
১। কাঠবাদাম
কাঠবাদামে রয়েছে বি ভিটামিন, ভিটামিন ই, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। যা চুলের ফলিকলে পুষ্টি জুগিয়ে চুলের গোড়া শক্ত করে। চুল পড়ার সমস্যা কমায়। নিয়মিত খেলে ফিরবে চুলের স্বাস্থ্য।
২। আখরোট
ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন বি৭ এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টসে ঠাসা আখরোটও চুলের গোড়া শক্ত করে। মাথার ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। ফলে চুল হয় মজবুত।

ছবি: সংগৃহীত।
৩। কাজু
কাজুতে আছে জ়িঙ্ক, আয়রন এবং প্রোটিন। যা শরীরে কোলাজেনের সংশ্লেষ করে। কোলাজেন ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। স্বাভাবিক ভাবেই মাথার ত্বকের স্বাস্থ্য ফেরে। চুল পড়া কমায়। চুল ঘন দেখায়।
৪। পেস্তা
বি ভিটামিন, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস এবং প্রোটিনে ভরা পেস্তা চুলের স্বাস্থ্য ফেরায়। অনেকেরই চুল বয়স হলে মিহি হয়ে যায়। পেস্তার পুষ্টিগুণ এক একটি চুলের ঘনত্ব ফেরায়। আনে স্বাস্থ্যকর ঔজ্জ্বল্য।
৫। চিনে বাদাম
এতে বি ভিটামিন তো রয়েছেই। তার পাশাপাশি রয়েছে ফোলেট এবং প্রোটিন। যা চুলের কেরাটিন বৃদ্ধ করতে সাহায্য করে। চুল পড়া বন্ধ করে।