তুতো ভাইদের মধ্যে ঝগড়া বেধেছিল। অভিযোগ পেয়ে এক ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উত্তরপ্রদেশের বদায়ূঁর এক ঘাঁটিতে ডেকে পাঠিয়েছিল পুলিশ। অভিযোগ, হেফাজতেই ইঁদুর মারার বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন প্রৌঢ়। পরিবারের দাবি, পুলিশি হেফাজতে ‘নির্যাতন’-এর কারণে আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। যদিও পুলিশের দাবি, স্ত্রীর সঙ্গে থানায় এসে জ্ঞান হারিয়েছিলেন ৪২ বছরের জগৎবীর যাদব। তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশকর্তারা।
জগতের ছেলে আকাশ যাদব থানায় কনস্টেবল অভিষেক কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছে, তাঁর বাবাকে যখন ফৈজগঞ্জ বেহতা থানা এলাকার আসফপুর টাউন ঘাঁটিতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল, তখন সেখানে ছিলেন অভিষেকই। জগতের স্ত্রী সুশীলা দেবী জানিয়েছেন, শনিবার রাতে তুতো ভাইয়ের সঙ্গে ঝগড়া বেধেছিল জগতের। তিনি থানায় খবর দিয়েছিলেন। এর পরে পুলিশ এসে তাঁর স্বামীকে পুলিশ ঘাঁটিতে ডেকে নিয়ে যায়। সুশীলার অভিযোগ, সেখানে জগৎকে হেনস্থা করে পুলিশ। অপমানিত হয়ে জগৎ ইঁদুর মারার বিষ খান।
আরও পড়ুন:
সুশীলার আরও অভিযোগ, পুলিশ বিষয়টিকে ধামাচাপা দিতে প্রথমে জগৎকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করায়। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। সুশীলা জানিয়েছেন, রবিবার ওই হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে জগতের। পুলিশ সুপার (গ্রামীণ এলাকা) কেকে সরোজ জানিয়েছেন, দুই ভাইয়ের ঝামেলা হচ্ছিল। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। এর পরে জগৎ স্ত্রীর সঙ্গে থানায় এসে জ্ঞান হারান। পুলিশ তাঁকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করায়। তার পরে তাঁকে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরিবারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সরোজ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।