চার দিক বরফে ঢাকা। শন শন করে বইছে হিমেল বাতাস। কিন্তু সে সব কিছু উপেক্ষা করেই সীমান্ত রক্ষায় মগ্ন ভারতীয় সেনা। সে বিষয়েই করা একটি ভিডিয়ো ভাইলার হল টুইটারে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের জনসংযোগ আধিকারিকের টুইটার হ্যান্ডলে পোস্ট করা ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে যে, হাড় কাঁপানো ঠান্ডাতেও ভারতীয় সেনা সীমান্ত পাহারা দেওয়ার মতো কঠিন কাজ কত স্বাচ্ছন্দ্যে করছেন। তার মধ্যে এক জন কর্তব্যরত সৈনিকের সীমান্ত পাহারা দেওয়ার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। ওই ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, হিমেল বাতাসের প্রবাহ উপেক্ষা করেই এই সেনা, সীমান্ত এলাকায় বাজপাখির মতো নজর রাখছেন। আর একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক দল সৈন্য তুষার-ঢাকা পাহাড়ের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় টহল দিচ্ছেন।
জনসংযোগ আধিকারিকের ওই টুইটারে বলা হয়েছে, ‘কোনও মিথ্যা আমাদের লক্ষ্যচ্যূত করতে পারবে না। সবার একটাই লক্ষ্য। আর লক্ষ্যের জন্য প্রত্যেককে দরকার হলে জীবন দিতে হবে। স্বাধীনতার পতন হলে কে দাঁড়াবে?’
No easy hope or lies
— PRO Udhampur, Ministry of Defence (@proudhampur) January 7, 2022
Shall bring us to our goal,
But iron sacrifice
Of body, will, and soul.
There is but one task for all
One life for each to give
Who stands if Freedom fall? pic.twitter.com/X3p3nxjxqE
Compare this with your early morning walk in the park! #IndianArmy #BashOnRegardless
— PRO Udhampur, Ministry of Defence (@proudhampur) January 7, 2022
VC: @Whiteknight_IA pic.twitter.com/itVLukvQT3
গোটা উত্তর ভারত ইতিমধ্যেই তীব্র ঠান্ডার কবলে। পার্বত্য এলাকাগুলিতে শীতের জমক আরও বেশি। অনেক জায়গাতেই তাপমাত্রা শূন্যের নীচে নেমে গিয়েছে। এই আবহাওয়ায় তুষারের কবলে পড়ে মৃত্যুর আশঙ্কা থাকে। এমনকি, বাড়ির বাইরে বেরোনোর কল্পনা করাও যায় না। কিন্তু এমন কঠিন পরিস্থিতিতেও ভারতীয় সেনাদের অদম্য সংকল্প নিয়ে সীমান্ত রক্ষার ছবি টুইটার ব্যবহারকারীদের মন জয় করেছে। টুইটার ব্যবহারকারীরা ব্যাপক ভাবে এই পোস্টগুলির এবং ভারতীয় সেনা সদস্যদের প্রশংসা করেছেন। কিছু ব্যবহারকারী সৈন্যদের ‘ভারতের নায়ক’ বলেও অভিহিত করেছেন।
২০২০ সালের মে মাস থেকে চলমান সামরিক অচলাবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে হিমালয়ের উপরের অংশে, বিশেষ করে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর চিনা সৈন্যদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তার পর থেকেই অতিরিক্ত সজাগ রয়েছেন ভারতীয় সেনার জওয়ানরা।