হরিয়ানার কংগ্রেস নেত্রী হিমানী নরওয়ালের দেহ যে ট্রলিব্যাগ থেকে উদ্ধার হয়েছে, সেটি তাঁদের বাড়িরই। এক সংবাদমাধ্যমে এমনই দাবি করলেন হিমানীর ভাই যতীন। শুক্রবার রোহতকের সাম্পলা বাসস্ট্যান্ডের কাছে হাইওয়ের ধার থেকে নীলরঙা একটি ট্রলিব্যাগ থেকে হিমানীর দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাচক্রে, হিমানীর পরিবারের দাবি ওই ট্রলিব্যাগটি তাঁদেরই। বাড়ি থেকে হঠাৎ গায়েব হয়ে গিয়েছিল ব্যাগটি। তার পরই ব্যাগ থেকে হিমানীর দেহ উদ্ধারে ষড়যন্ত্রের সন্দেহ প্রকাশ করেছে তাঁর পরিবার। হিমানীর ভাইয়ের দাবি, পরিচিত কেউ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন।
আরও পড়ুন:
হিমানী বিজ্ঞানে স্নাতক করেছিলেন। এমবিএ-ও করেছেন। তার পর আইন নিয়ে পড়াশোনা করছিলেন। তার পাশাপাশি কংগ্রেসের এক জন নেত্রীও ছিলেন। জেলায় কয়েকটি পদও সামলেছিলেন। হিমানীর ভাইয়ের অভিযোগ, এই ঘটনার সঙ্গে দলের কেউ জড়িত থাকতে পারেন। ঘটনার পর থেকে কংগ্রেসের তরফে কোনও বড় নেতৃত্ব আসেননি বলেও দাবি যতীনের। দলীয় কাজের জন্য রোহতকে থাকতেন হিমানী। তবে সোনিপতেও যাতায়াত করতেন। বাড়িতে বলে গিয়েছিলেন বন্ধুর বিয়েতে যাচ্ছেন। এমনই জানিয়েছেন হিমানীর ভাই। তার পরই শুক্রবার দেহ উদ্ধার হয় তাঁর।
ইন্ডিয়া টুডে ডট ইন-কে হিমানীর মা সবিতা নরওয়াল জানিয়ছেন, তাঁর কন্যা কখনও অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি। গত ১০ বছর ধরে কংগ্রেসের হয়ে কাজ করেছেন হিমানী। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি কন্যার সঙ্গে শেষ বার কথা হয়েছিল তাঁর। তার পরদিনই ভূপেন্দ্র সিংহ হুডার একটি জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। ওই দিন কন্যাকে ফোনও করেছিলেন। কিন্তু ফোন বন্ধ ছিল। সবিতার অভিযোগ, কন্যার দ্রুত উত্থান দলের অনেকেই মেনে নিতে পারছিলেন না। তাই তাঁকে এ ভাবে সরিয়ে দেওয়া হল। তাঁর কথায়, ‘‘হিমানীর দ্রুত উত্থানে দলের কেউ কেউ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন। দলেরই কিছু লোক হিমানীর খুনে জড়িত থাকতে পারেন।’’