মেরঠ মামলায় এত দিন আলোচনায় ছিল মাত্র তিনটি নাম— মার্চেন্ট নেভি অফিসার সৌরভ রাজপুত, তাঁর স্ত্রী মুস্কান রস্তোগী এবং সাহিল শুক্ল! কিন্তু কসোলের হোটেলে সাহিলের জন্মদিন পালনের ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই নতুন একটি নাম চর্চায় উঠে এসেছে। সাহিলের জন্মদিনের কেকে লেখা ‘শঙ্কর’! কে এই শঙ্কর? প্রশ্ন উঠছে, এই নামের নেপথ্যে কি কোনও রহস্য লুকিয়ে আছে না কি সাহিলকে ‘শঙ্কর’ বলে ডাকেন মুস্কান?
স্বামীকে খুন করে সাহিলের সঙ্গে ১৫ দিনের জন্য হিমাচল প্রদেশে ঘুরতে গিয়েছিলেন মুস্কান। ওঠেন কসোলের হোটেলে। সেই হোটেলেই সাহিলের জন্মদিন পালন করেন তিনি। শিমলায় যাঁর গাড়িতে করে ঘুরেছিলেন মুস্কান-সাহিল, সেই ক্যাবচালকের নাম আজব সিংহ। আজবকে দিয়ে সাহিলের জন্য কেক আনিয়েছিলেন মুস্কান। তিনি জানান, গত ১১ মার্চ ফোন করে কেকের অর্ডার দিয়েছিলেন। রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ কসোলের বাজারের দোকান থেকে কেক নিয়ে হোটেলে পৌঁছে দিয়েছিলেন তিনি। কেকের উপর কী নাম লেখা ছিল, তা নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই জানান ওই চালক। তবে কে এই ‘শঙ্কর’? মেরঠে সাহিলের ঘরের দেওয়াল জু়ড়ে রয়েছে শিবের ছবি। এমনকি, তন্ত্রমন্ত্রের প্রতি তাঁর আগ্রহের কথাও প্রকাশ্যে এসেছে। অনেকের মতে, মুস্কান হয়তো ভালবেসে সাহিলকে ‘শঙ্কর’ বলে ডাকেন!
আরও পড়ুন:
মেরঠে সাহিলের ঘরের দেওয়ালগুলি রহস্যময় জগতের চেয়ে কম নয়। দেওয়াল জুড়ে দেবদেবীর ছবি, তন্ত্রমন্ত্রের চিহ্ন। এ ছাড়াও ঘরের দেওয়ালে টাঙানো শিবের ছবির নীচে একটি গাছ ছিল। সেই গাছ থেকে ঝুলছে একটি খাঁচা। তাতে লেখা ‘ওম’! এই সব চিহ্ন থেকে সাহিলের শিবভক্তির প্রমাণ মেলে বলে দাবি অনেকের। শিবের এক নাম ‘শঙ্কর’। মনে করা হচ্ছে, সাহিলের নামই ‘শঙ্কর’ হতে পারে। তবে এ ব্যাপারে এখনও কোনও প্রমাণ মেলেনি।