ছবি: রয়টার্স।
আগামী বছর জুলাই মাসের মধ্যে গোটা দেশের অন্তত ২৫ কোটি মানুষের কাছে কোভিডের টিকা পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী হর্ষ বর্ধন আজ জানিয়েছেন, এর জন্য কোভিড প্রতিষেধকের ৪০ থেকে ১৫ কোটি ডোজ় হাতে পাওয়া প্রয়োজন। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বলা হয়েছে, অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাদের আগে, কাদের পরে প্রতিষেধক দেওয়া হবে তার তালিকা তৈরি করে অক্টোবরের মধ্যে কেন্দ্রকে পাঠাতে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনের সারিতে থাকা স্বাস্থ্যকর্মীদের আগে প্রতিষেধক দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।
আজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘সানডে সংবাদ’ নামের এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকারি ও বেসরকারি দুই ক্ষেত্রেই চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, আশাকর্মী, সাফাইকর্মী-সহ যাঁরা যাঁরা করোনা রোগীদের চিহ্নিতকরণ, পরীক্ষা বা চিকিৎসার কাজে সরাসরি যুক্ত থাকেন, তাঁদেরই টিকায় অগ্রাধিকার। পাশাপাশি, প্রত্যেকের কাছে টিকা পৌঁছে দেওয়ার জন্য ‘কোন্ড চেন’ প্রক্রিয়ার সুবিধা ও রাজ্যগুলিকে অন্যান্য পরিকাঠামো তৈরির জন্য রাস্তা দেখানো হবে। হর্ষ বর্ধন বলেছেন, ‘‘প্রতিষেধক তৈরির পরে তা যাতে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে বণ্টন করা যায় তার জন্য দিনরাত এক করে কাজ করছে কেন্দ্র। আমাদের প্রথম লক্ষ্য, দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য করোনার প্রতিষেধক সুনিশ্চিত করা।’’
এই গোটা প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাবেন নীতি আয়োগের সদস্য (স্বাস্থ্য) ভি কে পালের নেতৃত্বে গঠিত উচ্চ-পর্যায়ের কমিটি। মন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘ভারতীয় টিকা প্রস্তুতকারকদের সব রকম ভাবে সাহায্য করবে সরকার। এবং প্রত্যেকের কাছে যাতে টিকা পৌঁছে যায় তার চেষ্টা করবে।’’
আরও পড়ুন: হাথরস: সামনে এল পুলিশের পাল্টা তথ্য
আরও পড়ুন: ভ্যাকসিন নিয়ে আশায় বরিসও
কালো বাজারে প্রতিষেধক বিক্রির আশঙ্কা প্রসঙ্গে আজ হর্ষ বর্ধন বলেছেন, ‘‘প্রয়োজনের নিরিখে পূর্ব নির্ধারিতভাবে প্রতিষেধক বণ্টন করা হবে। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে গোটা প্রক্রিয়ার বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে।’’ রুশ প্রতিষেধক স্পুটনিক-ভির তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
এ দিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, একটানা ১৩ দিন ভারতে করোনায় অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ১০ লক্ষের কম রয়েছে। ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬৫ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে বলে আজ জানাল মন্ত্রক। সুস্থ হয়েছেন ৫৫ লক্ষ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৪০ জনের মৃত্যু হওয়ায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ১ হাজার ৭৮২। সুস্থতার হার ৮৪.১৩ শতাংশ। মন্ত্রক জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, পঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশে মৃতের সংখ্যা ছিল সর্বাধিক।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or Continue with
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy