তেলঙ্গানার এই সুড়ঙ্গেই আটকে রয়েছেন শ্রমিকেরা। ছবি: পিটিআই।
তেলঙ্গানার সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার আশা ক্ষীণ। দুর্ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা পরে সোমবার সকালে এ কথা জানান তেলঙ্গানার মন্ত্রী জুপল্লি কৃষ্ণ রাও। সুড়ঙ্গে জমে থাকা জল এবং কাদার জন্য উদ্ধারকাজে সমস্যা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে উত্তরাখণ্ডের সিল্কিয়ারা সুড়ঙ্গ-ধসে সাফল্য পাওয়া উদ্ধারকারী দলও। তাঁদের অভিজ্ঞতাকেও ব্যবহার করা হচ্ছে তেলঙ্গানায়। উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছেন জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দল এবং সেনার উদ্ধারকারী দলও।
শনিবার সকালে তেলঙ্গানার নাগারকুর্নুল জেলায় শ্রীশৈলম জলাধারের পিছনের দিকে একটি নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গ ভেঙে পড়ে। সেচের কাজে ব্যবহার করার জন্য ওই সুড়ঙ্গটির মোট ৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ। স্থানীয় প্রশাসনের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, সুড়ঙ্গটির ১৪ কিলোমিটার পয়েন্টের কাছে তিন মিটার জায়গা জুড়ে একটি দেওয়ালের ছাদ ভেঙে পড়ে। সেই সময় ওই অংশে কাজ করছিলেন বেশ কয়েক জন শ্রমিক। সুড়ঙ্গ ভেঙে পড়ার পরে সেখানে আটকে পড়েন আট জন। সোমবার সকালে মন্ত্রী রাও জানান, আটকে পড়াদের মধ্যে চার জন শ্রমিক এবং অপর চার জন নির্মাণ সংস্থার আধিকারিক। সিল্কিয়ারা সুড়ঙ্গে উদ্ধারকাজের অভিজ্ঞতা থাকা ছ’জনকে ডেকে আনা হয়েছে তেলঙ্গানার শ্রীশৈলমে।
তেলঙ্গনার মন্ত্রী জানান, সুড়ঙ্গের ভিতরে কাদার স্তর অনেকটা উঁচু হয়ে গিয়েছে। এর ফলে সেখানে হাঁটা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। উদ্ধারকারী দল রবারের টিউব এবং কাঠের তক্তা ব্যবহার করছেন চলাচলের জন্য। আটকে পড়া আট জনকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা কতটা তা নিয়েও প্রশ্ন করা হয় মন্ত্রীকে। তখন রাও বলেন, “(আটকে পড়া ব্যক্তিদের) বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তবে আমরা আশাবাদী এবং চেষ্টায় কোনও খামতি রাখছি না।”