ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরাজনাথ সিংহ এবং চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল লি শাংফু। ফাইল ছবি।
গালওয়ান সংঘর্ষের পরে এই প্রথম মুখোমুখি বৈঠক করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রীরাজনাথ সিংহ এবং চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল লি শাংফু। শুক্রবার দিল্লিতে ‘শাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজ়েশন’ (এসসিও) বৈঠক। তার আগে দু’দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পার্শ্ববৈঠকে বসেন। সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, রাজনাথ চিনা মন্ত্রী লি-কে স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার যাবতীয় জট ছাড়াতে হবে দু’দেশের মধ্যে থাকা চুক্তি এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী। সেই চুক্তি লঙ্ঘন গোটা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত নষ্ট করে দেবে। রাজনাথের বক্তব্য, সীমান্তে শান্তি ও সুস্থিতির উপরেই নির্ভর করছে ভারত-চিন সম্পর্ক। এ কথাও তিনি জানান, সেনা পিছোনোরপরই নিয়ম অনুযায়ী সেনা সরিয়ে নেওয়ার কথা।
সরকারের সর্বোচ্চ স্তরে না-হলেও এর আগে সামরিক স্তরে সীমান্তের উত্তেজনা প্রশমনে একাধিকবৈঠক করেছে ভারত ও চিন। শেষ বৈঠকটি হয় গত রবিবার, চুশুল-মলডো সীমান্তে, যা এই পর্যায়ের ১৮ তম বৈঠক। আলোচনায় দুই দেশই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর শান্তি বজায় রাখায় সম্মত হয়েছে। তার পরেই দু’দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বৈঠকের গুরুত্ব যথেষ্ট বলেই মনেকরা হচ্ছে।
২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের গালওয়ানে দু’দেশের সেনা মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তাতে দু’পক্ষেরই একাধিক সেনা নিহত হন। তার পর থেকে দু’দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে আনুষ্ঠানিকবাক্যালাপ কার্যত বন্ধ। তবে আজকের বৈঠকে কোনও নির্দিষ্ট সমাধান সূত্রের হদিশ পাওয়া গেল কি না, অথবা কতটা বরফ গলল— তা এখনওস্পষ্ট নয়।
গত সোমবারই বিদেশমন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছিল, পশ্চিম সেক্টরে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখাবরাবর প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলির সমাধানে উভয়পক্ষ “খোলামেলা এবংগভীর” আলোচনা করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, “উভয় দেশই একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়ে ইতিবাচক মত দিয়েছে। সামরিক ও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে আলোচনা চালানো হবে। দুই দেশের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে এমন সমাধান সূত্র বের করা হবে।”
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or Continue with
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy