আদালতে জানিয়েছিলেন, স্বেচ্ছায় ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ‘দোষ স্বীকার’ করবেন। সোমবার শিয়ালদহ আদালতে বিচারকের সামনে গোপন জবানবন্দি দিলেন ট্যাংরা-কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রসূন দে। দ্বিতীয় বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট শিবাশিস দে-র ঘরে গোপন জবানবন্দি দেন তিনি।
এন আর এস থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে ট্যাংরা থানা গ্রেফতার করে প্রসূনকে। পুলিশ জানিয়েছে, স্ত্রী রোমি, বৌদি সুদেষ্ণা ও নিজের নাবালিকা মেয়ে প্রিয়ম্বদাকে খুনের কথা স্বীকার করেছেন প্রসূন। এর আগে শিয়ালদহের অতিরিক্ত মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের কোর্টে আইনি সহায়তার আইনজীবী কবিতা সরকার জানিয়েছিলেন, প্রসূন আর বাঁচতে চান না। প্রসূনও আদালতে জানান, তিনি আইনজীবী রাখবেন না। ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে দোষ কবুল করবেন। সেই আর্জি মঞ্জুর করে বিচারক অরিজিৎ মণ্ডল প্রসূনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠান।
সেই মতো গোপন জবানবন্দির জন্য এ দিন প্রসূনকে আদালতে আনা হয়। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় দ্বিতীয় বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট শিবাশিস দে-র ঘরে। সেখানে ঘণ্টাখানেক সময় ধরে গোপন জবানবন্দি দেন প্রসূন।
গত মাসে ই এম বাইপাসে মেট্রোর স্তম্ভে ধাক্কা মারে দে পরিবারের গাড়ি। জখম হন প্রণয় দে, তাঁর ভাই প্রসূন এবং প্রণয়ের নাবালক ছেলে। তদন্তে নেমে ট্যাংরায় দে পরিবারের বাড়ি থেকে সুদেষ্ণা, রোমি ও প্রিয়ম্বদার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় দে বাড়ির তিন সদস্যকে। সেখান থেকে তাঁদের আনা হয় এন আর এস হাসপাতালে। প্রসূন হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও প্রণয় ও তাঁর ছেলে এখনও সেখানে ভর্তি আছেন।
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)