মুরাদের দাবি, ‘‘মোট ১২৭টি এলাকা থেকে আলাদা আলাদা করে নমুনা সংগ্রহ করেন পাক ভূতাত্ত্বিক জরিপের কর্তা-ব্যক্তিরা। সেগুলি পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে স্বর্ণভান্ডার সংক্রান্ত রিপোর্ট তৈরি করেছেন তাঁরা। আগামী দিনে হলুদ ধাতুর উত্তোলন শুরু হলে, তা পাক অর্থনীতিতে নতুন মাইলফলক তৈরি করবে। কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে নানা ক্ষেত্রে নতুন মঞ্চ পাবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।’’
এআরওয়াই নিউজ় জানিয়েছে, প্রতি বছর ৫০ লক্ষ করে বাড়ছে পাকিস্তানের জনসংখ্যা। ফলে সেখানে বছরে ১৫ লক্ষ কর্মসংস্থানের প্রয়োজন রয়েছে। এ ব্যাপারে শাহবাজ শরিফ সরকারের কাছে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে পাকিস্তানের পরিকল্পনা কমিশন। সেখানে বলা হয়েছে যুবকদের বেকারত্বের হার কমাতে মুদ্রাস্ফীতি কমপক্ষে ছ’শতাংশ হ্রাস করতে হবে। মহিলাদের ক্ষেত্রে এই অঙ্ক দাঁড়াবে ১৭ শতাংশ।
নতুন স্বর্ণখনির আবিষ্কার চিনা হলুদ ধাতুর শিল্পে বড় প্রভাব ফেলতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী স্বর্ণ উৎপাদনে ড্রাগনল্যান্ডের অবদান ১০ শতাংশ। গত বছরের (পড়ুন ২০২৪) গোড়ায় বেজিংয়ের কাছে দু’হাজার টনের বেশি সোনা মজুত রয়েছে বলে খবর মেলে। এর উপর ভিত্তি করেই বিশ্বের স্বর্ণবাজারের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছে চিন।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or Continue with
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy