
একটা রণতরীতেই কেল্লাফতে। ভীমদর্শন সেই যুদ্ধজাহাজ আটকে দেবে আট-আটটি মার্কিন রণতরী! প্রশান্ত মহাসাগরে নৌমহড়া শেষে এ বার তেমনটাই দাবি করল চিন। শুধু তা-ই নয়, জলযুদ্ধের মানববিহীন নতুন প্রযুক্তি প্রকাশ্যে এনে গোটা দুনিয়াকে রীতিমতো চমকে দিয়েছেন ড্রাগনের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞেরা। এ সব দেখে ভুরু কুঁচকেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দফতর পেন্টাগনও।

দীর্ঘ দিন ধরেই তাইওয়ান দখলের ছক কষছেন চিনা প্রেসিডেন্ট তথা চেয়ারম্যান শি জিনপিং। প্রশান্ত মহাসাগরের ওই দ্বীপরাষ্ট্রটিকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে করে বেজিং। আমেরিকার গোয়েন্দাদের অবশ্য দাবি, তাইওয়ান আক্রমণে ড্রাগনভূমির ‘পিপল্স লিবারেশন আর্মি’ বা পিএলএর সবচেয়ে বড় চিন্তার জায়গা হল সেখানকার ড্রোনবাহিনী। যুদ্ধের সময়ে যাদের সামনে সারিতে রেখে চিনা লালফৌজের বড়সড় লোকসান করার ক্ষমতা রয়েছে সেখানকার সেনা কম্যান্ডারদের।