এক চিকিৎসককে অপহরণ করে গণধর্ষণের ঘটনায় চার জনকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত। ২০২২ সালের ওই কাণ্ডে যুক্ত চার যুবককে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে তামিলনাড়ু মহিলা আদালত।
২০২২ সালের ১৬ মার্চের মধ্যরাত। কাজ শেষ করে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন এক মহিলা চিকিৎসক। সঙ্গে তাঁর এক সহকর্মীও ছিলেন। অটোস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করছিলেন তাঁরা। কয়েক মিনিট বাদে একটি অটো করে চার জন পৌঁছন ওই স্ট্যান্ডে। উঠতে বলা হয় মহিলা চিকিৎসক এবং তাঁর সঙ্গীকে। দুই চিকিৎসক প্রথমে ভেবেছিলেন, কী ভাবে একটি অটোতে ছ’জন যাবেন। কিন্তু অত রাতে আর কোনও পথ নেই দেখে উঠেই পড়েন দু’জন। অভিযোগ, কিছু দূর যাওয়ার পরে অটোটি থেমে যায় একটি নির্জন জায়গায়। অটো থেকে টেনেহিঁচড়ে নামানো হয় দুই চিকিৎসককে।
পুরুষ চিকিৎসকটিকে মারতে মারতে একটি জায়গায় নিয়ে গিয়ে তাঁর গলায় ছুরি ধরা হয়। মহিলা চিকিৎসককে রাস্তায় ফেলে একে একে ধর্ষণ করে মোট পাঁচ জন। শুধু তা-ই নয়, ওই কাণ্ডের পর নির্যাতিতা চিকিৎসক এবং তাঁর সহকর্মীর জিনিসপত্র হাতিয়ে নিয়ে যায় অভিযুক্তেরা। সোনার গয়না খুলে নিয়ে যাওয়া হয়। ব্যাগ থেকে পাওয়া এটিএম কার্ড থেকে ৪০ হাজার টাকা তুলে নিয়ে যায় তারা।
আরও পড়ুন:
ওই ঘটনার কিছু দিন পরে একটি চোলাই মামলায় তিন জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেখান থেকে চিকিৎসককে গণধর্ষণের খবর পান তদন্তকারীরা। জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে তিন অভিযুক্ত স্বীকার করে আরও দুই সঙ্গীকে নিয়ে তারা এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করেছে। এর মধ্যে অনলাইনের মাধ্যমে থানায় অভিযোগ করেন নির্যাতিতা। তিন বছর মামলার পর মোট চার জনকে দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তি ঘোষণা করল আদালত।