ধনেখালি ব্লক অফিসে হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। নিজস্ব চিত্র।
দলীয় কর্মীদের উপরে শাসক দলের ‘অত্যাচার’ বন্ধের দাবি নিয়ে শুক্রবার ধনেখালিতে বিডিও-র সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। সেখান থেকে বেরনোর পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কাছেই বোমাবাজি হয় বলে অভিযোগ করলেন তিনি। সাংসদের অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তৃণমূল নেতৃত্ব অভিযোগ মানেননি। পুলিশের দাবি, বোমা নয়, বাজি ফেটেছে।
ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই হুগলির নানা প্রান্তে বিরোধীদের উপরে তৃণমূলের সন্ত্রাসের অভিযোগ অব্যাহত। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার লকেট চন্দননগর কমিশনারেট এবং জেলা গ্রামীণ পুলিশের কর্তাদের সঙ্গে দেখা করেন। শুক্রবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ ধনেখালির বিডিও বিপ্লব চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করতে তাঁর দফতরে ঢোকেন লকেট। তাঁর অভিযোগ, ঢোকা-বেরনোর সময় তৃণমূলের লোকেরা ‘জয় বাংলা’ এবং ‘গো-ব্যাক’ স্লোগান দেন।
ব্লক অফিস চত্বরে দাঁড়িয়েই লকেট যখন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন, তখন কয়েক বার বিকট শব্দে কিছু ফাটার আওয়াজ শোনা যায়। লকেটের অভিযোগ, ‘‘আমি সাংসদ। আমি এলাকায় যেতেই তৃণমূলের ছেলেরা বোমাবাজি করল। আমাদের দলের সাধারণ কর্মীদের অবস্থা সেখানে সহজেই অনুমেয়।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘ধনেখালিতে আমাদের দলের প্রায় তিন হাজার কর্মী ঘরছাড়া। বহু কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। প্রশাসন যাতে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়, সে কারণেই বিডিও-র সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলাম। পরিস্থিতি নিজের চোখেই দেখলাম, কানেও শুনলাম।’’ পুলিশের পাহারায় লকেট ব্লক অফিস থেকে বেরিয়ে যান।
লকেটের অভিযোগ মানেননি ধনেখালির বিধায়ক অসীমা পাত্র। তাঁর দাবি, ‘‘সাংসদকে ঘিরে কেউ বিক্ষোভ দেখাননি। বোমাও কোথাও ফাটেনি। সাংসদ মিথ্যা বলছেন। বাংলার মানুষ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেবে না তো ‘জয় উত্তরপ্রদেশ’ স্লোগান দেবে!’’
হুগলি জেলা গ্রামীণ পুলিশের এক কর্তা বলেন, ‘‘ওখানে বিকট শব্দে বাজি ফেটেছে। বোমাবাজি হয়নি। সাংসদের নিরাপত্তায় ব্লক অফিস চত্বরে পুলিশ মোতায়েন ছিল।’’
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or Continue with
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy