—প্রতীকী চিত্র।
তৃণমূল সাংসদ ডেরেক একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। সেই ভিডিয়ো পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘মধ্য কলকাতায় নিউ মার্কেটের কাছে, পুলিশের অনুমতিসাপেক্ষেই, মাংসের দোকান ভাঙতে বুলডোজ়ার আনা হয়েছে। জয়ের উদ্যাপন হিসাবেই তা করা হয়েছে। সিএপিএফ কাছেই দাঁড়িয়ে ছিল। আপনাদের জন্য বিজেপি। সারা দুনিয়া দেখুক এই ছবি।’ এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, বিজয় মিছিলের জন্য পুলিশের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। তবে বুলডোজ়ার নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। পুলিশ তা দেয়নি। তাঁর কথায়, ‘‘আমরা আইনি পদক্ষেপ করছি। ভাঙচুর করার কোনও খবর নেই। বিষয়টি পুলিশ দেখছে।’’
বুলডোজার দিয়ে ভাঙার মুহূর্ত। —নিজস্ব চিত্র।
উত্তর ২৪ পরগনার ন্যাজাট থানার ওসি ভরত প্রসূন করের পায়ে গুলি লেগেছে বলে অভিযোগ। তাঁর সঙ্গে গুলিবিদ্ধ আরও এক কনস্টেবল। পুলিশ সূত্রে খবর, দুই দলের সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন ওসি। তখন একটি বাড়ির ভিতর থেকে গুলি চালানো হয়।
আহতেরা কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী বীণা মণ্ডলের বাড়ির সামনে উপস্থিত হয়ে একদল লোক গান বাজায় ও গালাগালি করে বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, বিধায়কের বাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। গেট ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলেও বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ।
রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল নদিয়ার কৃষ্ণনগরের বাদকুল্লা মোড় এলাকা। ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন তৃণমূলের একটি কার্যালয় দখল করে বিজেপির পতাকা টাঙিয়ে দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। আরও অভিযোগ, কার্যালয়ের ভিতরে থাকা আসবাবপত্র ভাঙচুর করার পরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।
জলপাইগুড়ি টাউন স্টেশন তৃণমূল কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে।
হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির জয়ের আনন্দে আবির খেলায় মেতেছিলেন ওই ব্যক্তি। সেই কারণেই ওই ব্যক্তিকে মারধর করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। মৃতের নাম যাদব বর (৪৮)। উদয়নারায়ণপুর বিধানসভার দেবীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৪৮ নাম্বার বুথের ঘটনা। এই ঘটনায় পুলিশ খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই এক গ্রেফতার করা হয়েছে।
নির্বাচনের ফল ঘোষণার চব্বিশ ঘন্টার মধ্যেই পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম থানার কান্দরা গ্রামের তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির কর্মী ও সমর্থকেদের বিরুদ্ধে।কাটোয়া থেকে দমকলের একটি ইঞ্জিন কান্দরা গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কাটোয়ার এসডিপিও কাশীনাথ মিস্ত্রি বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পোঁছোন। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার বিকাল পাঁচটা নাগাদ একদল যুবক কান্দরা তৃণমূল কার্যালয়ের দলীয় পতাকা নামিয়ে বিজেপির পতাকা টাঙিয়ে দেয়। এরপর কার্যালয়ে ঢুকে যথেচ্ছ ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়।
ভোট পরবর্তী হিংসায় প্রাণ গেল বীরভূমের নানুর সন্তোষপুর গ্রামের আবির শেখ(৪৫) নামে এক তৃণমূল কর্মীর। অভিযোগ, বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা তাঁকে রাস্তায় কুপিয়ে হত্যা করেছে।
চুঁচুড়ার ৮ ও ১০ নম্বর এবং বাঁশবেড়িয়ার ১৭ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কার্যালয় দখলের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। ত্রিবেণীতে তৃণমূলের কার্য়ালয় ভাঙচুর করার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে।
বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের ফুলতলা পার্টি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, সীতাকুণ্ড মোড়ে অবস্থিত ওই পার্টি অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয় এবং সেখানে বিজেপির দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেওয়া হয়।
বারুইপুরে তৃণমূল কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ। —নিজস্ব চিত্র।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলির পেটকুল চাঁদ এলাকায় বিজেপি কর্মীদের উপরে হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুস্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা রাতে বাইকে করে ফেরার সময়ে তাঁদেরকে রড ও লাঠি দিয়ে মরধর করা হয়। বিজেপির দাবি, এই ঘটনায় অন্তত ১৫ জন কর্মী জখম হয়েছেন, যার মধ্যে এক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে। জখমদের দেখতে জয়নগর-কুলতলি গ্রামীণ হাসপাতালে যান পরাজিত বিজেপি প্রার্থী মাধবী মহলাদার। যদিও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।
তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে কোথাও উঠেছে তালা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। কোথাও উঠেছে কার্যালয় দখল করে নেওয়ার অভিযোগ। মেদিনীপুরের হবু বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর গুচ্ছাইত অবশ্য দাবি করেছেন, যাঁরা হামলা চালাচ্ছেন তাঁদের সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। পুলিশের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। খড়গপুর (গ্রামীণ)- এর হবু তৃণমূল বিধায়ক দীনেন রায়ের অভিযোগ, বিজেপি হামলা চালাচ্ছে। জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে সেই অভিযোগ জানানো হয়েছে।
সোমবার যাদবপুর ৮বি-তে অভিযোগ উঠেছিল, লেনিনের মূর্তিতে গেরুয়া আবীর ছেটানোর। মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে শ্রীপত সিংহ কলেজের সামনে থাকা লেনিনের আবক্ষ মূর্তি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক দল যুবকের বিরুদ্ধে। তাঁদের হাতে ছিল রড, হাতুড়ি, শাবল। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশের সামনেই ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিয়ে মূর্তি ভাঙার ঘটনা ঘটেছে।
মূর্তি ভাঙার মুহূর্ত। —নিজস্ব চিত্র।
তৃণমূলের অভিযোগ, বিজয়ী আইএসএফ-এর নেতা-কর্মীরা রাতভর তাণ্ডব করেছেন ভাঙড়ের বিভিন্ন এলাকায়। অন্য দিকে, বেঁওতায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ, এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে ভাঙচুর চালানো ও মহিলা-সহ পরিবারের সদস্যদের মারধর করার। নিমকুড়িয়া গ্রামেও বিজেপির বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল।
মুর্শিদাবাদ জেলার ডোমকলে জয়ী হয়েছেন বাম প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান। অভিযোগ, মঙ্গলবার রাতে নির্বাচিত হবু বিধায়কের এলাকার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে যুগিন্দা রথতলা পাড়ায় এক সিপিএম কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে দুস্কৃতীরা। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির নাম শফিকুল ইসলাম। তাঁর গলায় গুলি লেগেছে। বর্তমানে তিনি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশ সূত্রে খবর, কাজ সেরে নিজের পোল্ট্রি ফার্ম থেকে বাড়ি ফিরছিলেন শফিকুল। সেই সময়ে একদল দুষ্কৃতী তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। শফিকুল গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়লে স্থানীয়েরা ছুটে আসেন। ততক্ষণে চম্পট দেয় দুস্কৃতীরা।
তৃণমূল অবশ্য হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে মোতায়েন পুলিশ বাহিনী।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy