Advertisement
E-Paper

পথকুকুরদের এড়াতে পড়ুয়াদের সচেতন করবেন শিক্ষকেরা, নির্দেশিকা শিক্ষা দফতরের

বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, পড়ুয়াদের স্কুলে যাওয়া-আসার পথে রাস্তার কুকুর সম্পর্কে সচেতন করতে হবে শিক্ষকদের। দেখতে হবে, স্কুল চত্বরে যেন কুকুর ঘুরে না বেড়ায়।

পথকুকুর নিয়ে সচেতন করা হবে শিক্ষার্থীদের।

পথকুকুর নিয়ে সচেতন করা হবে শিক্ষার্থীদের। —ফাইল চিত্র।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৫ ০৮:০১
Share
Save

রাস্তার কুকুর সম্পর্কে পড়ুয়াদের সাবধান করার দায়িত্ব এ বার শিক্ষকদেরও। সম্প্রতি শিক্ষা দফতর একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, পড়ুয়াদের স্কুলে যাওয়া-আসার পথে রাস্তার কুকুর সম্পর্কে সচেতন করতে হবে শিক্ষকদের। দেখতে হবে, স্কুল চত্বরে যেন কুকুর ঘুরে না বেড়ায়। বিশেষ করে মিড-ডে মিল যেখানে রান্না হচ্ছে, সেখানে কুকুরের ঘোরাফেরা নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে এক গুচ্ছ সচেতনতার কথা বলা হয়েছে। যেমন, স্কুল শুরুর আগে, প্রার্থনার পরে পড়ুয়াদের সচেতন করবেন শিক্ষকেরা, যাতে তারা রাস্তায় অনেক কুকুর একসঙ্গে দেখলে তাদের এড়িয়ে যায়, কুকুরের সামনে দিয়ে দৌড়ে না যায়। কুকুরদের ঢিল ছোড়া বা বিরক্ত করা থেকে পড়ুয়াদের বিরত করতে হবে। কোনও কুকুর আগ্রাসী ভাব দেখালে শান্ত থেকে মোকাবিলা করতে হবে। প্রয়োজন হলে পথচারীদের সাহায্য নিতে হবে। সেই সঙ্গে কোনও এলাকায় বেশি কুকুর হয়ে গেলে পুরসভা বা পঞ্চায়েত দফতরকেও খবর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

শিক্ষকদের একাংশ এই বিজ্ঞপ্তি দেখে জানাচ্ছেন, বহু স্কুলেই পাঁচিল না থাকায় কুকুর ঢুকে পড়ে। এই সমস্যাটা গ্রামের দিকে বেশি। মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির নেতা অনিমেষ হালদার বলেন, ‘‘বহু প্রাথমিক স্কুলে পাঁচিল নেই। কুকুর, গরু, ছাগল ঢুকে পড়ে। আবার অনেক স্কুলে দারোয়ান নেই। আমরা পড়ুয়াদের সচেতন অবশ্যই করব। তবে স্কুলে পাঁচিল নির্মাণ ও দারোয়ান নিয়োগের দাবি জানাচ্ছি। না হলে শিক্ষকদের লাঠি হাতে কুকুরও তাড়াতে হবে।’’ বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির মতে, কেন্দ্র থেকে রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে, পড়ুয়ারা যাতে রাস্তার কুকুর দ্বারা আক্রান্ত না হয়, সেটা দেখতে। সেই নির্দেশ আবার রাজ্যের সমগ্র শিক্ষা মিশন স্কুলগুলিকে দিচ্ছে। কেন্দ্র নিজেরাই শিক্ষানীতিতে বলেছে, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের শিক্ষা বহির্ভূত কোনও কাজে ব্যবহার করা যাবে না। এখন তো দেখা যাচ্ছে শিক্ষাদান গৌণ হয়ে গিয়ে আর সব কিছুই করতে হচ্ছে। আর কী কী করতে হবে শিক্ষকদের?

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Street Dog Dogs

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or Continue with

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy

{-- Slick slider script --}}