শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের খুনে জড়িত সন্দেহে এক যুবককে আটক করল সিবিআই। সোমবার উত্তরপ্রদেশের একটি টোল প্লাজ়া থেকে অভিযুক্তকে ধরেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। জানা গিয়েছে, দিল্লি হয়ে অন্যত্র পালানোর পরিকল্পনা নিয়েছিলেন তিনি।
সিবিআই সূত্রে খবর, অভিযুক্তের নাম রাজকুমার সিংহ। উত্তরপ্রদেশের বালিয়ার বাসিন্দা তিনি। উত্তরপ্রদেশ পুলিশ এবং সিবিআইয়ের যৌথ অভিযান হয়েছিল রবিবার। দিল্লির স্বরূপনগরে একটি বাড়িতে হানা দিয়েছিল তারা। কিন্তু রাজকুমারের নাগাল পাওয়া যায়নি।
সোমবার হরিদ্বার থেকে দিল্লি হাইওয়ের একটি টোল প্লাজ়ার কাছে ছপ্পারে অভিযুক্তকে ধরা হয়। জায়গাটি মুজফ্ফরপুর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে। দিল্লি, হরিদ্বার হয়ে ওই ব্যক্তি পালাচ্ছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে।
চন্দ্রনাথের খুনের মামলায় রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল
(সিট) মোট তিন জনকে গ্রেফতার করে। তাঁদের মধ্যে ময়াঙ্ক এবং রাজ সিংহকে জেরা করে রাজকুমারের নাম পাওয়া যায়
বলে সিবিআই সূত্রে খবর।
বিধানসভা ভোটের ফল
বেরোনোর ঠিক দু’দিন পর গত ৬ মে রাতে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের রাস্তায়
এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে খুন করা হয় শুভেন্দুর আপ্তসহায়ককে। গাড়িতে চালকের পাশের
আসনে বসেছিলেন চন্দ্রনাথ। চালকও জখম হন গুলিতে। বাইকে করে এসে তাঁদের গুলি করে
পালান আততায়ীরা। কিছু ক্ষণের মধ্যে চন্দ্রনাথদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া
হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকেরা শুভেন্দুর আপ্তসহায়ককে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাক্রমে রাজ্যের
মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু। অন্য দিকে, চন্দ্রনাথের
খুনের তদন্তে রাজ্য পুলিশ সিট গঠন করে সুদূর উত্তরপ্রদেশ থেকে দু’জন এবং বক্সার
থেকে এক ‘শার্প শুটার’কে গ্রেফতার করে।
রবিবার চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। পুত্রহারা হাসিরানি রথকে তিনি কথা দেন, খুনের বিচার হবেই। হাসিরানি জানান, মুখ্যমন্ত্রীর উপর তাঁর ভরসা আছে। সিবিআই তদন্ত করছে। আশা করছেন, ছেলের খুনের বিচার পাবেন।