গভীর সমুদ্রে আবারও দেখা মিলল ডুমস ডে ফিশের। দেহ তো নয় যেন বড়সড় চাবুক। দেহ থেকে রূপোলি আলো ঠিকরে পড়ছে। অদ্ভুত দর্শন এই মাছের শরীর রক্ত মাংসে গড়া নয় বরং চকচকে ইস্পাত দিয়ে তৈরি। অস্বাভাবিক বড় বড় চোখ ভয়ের উদ্রেক করে। অতল জলের অধিবাসীর একটি ভিডিয়ো সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভাইরাল ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
রহস্যময় এই গভীর সমুদ্রের বাসিন্দাটির পোশাকি নাম অরফিশ হলেও এটি ‘ডুম্সডে ফিশ’ নামেই ডাকতে শুরু করেছেন অনেকে। কারণ পৌরাণিক গাথা অনুযায়ী যখনই এই মাছগুলির দেখা মিলেছে তখনই পৃথিবীতে নেমে এসেছে বিপর্যয়। এই মাছটির বসবাস ভূপৃষ্ঠের ৭০০ থেকে ৩ হাজার ২৮০ ফুট নীচে। সেই গভীর অঞ্চল থেকে বেরিয়ে এসে এই মাছগুলি ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা দিত বলে মনে করা হয়।
ভাইরাল হওয়া এই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে এক দল ডুবুরি সমুদ্রের গভীরে অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে দেখা পান এই মাছটির। তাঁরা মাছটির শরীর স্পর্শ করতেই সেটি নড়ে সামান্য দূরে সরে যায়। জাপানের লোককথায় অরফিশ পরিচিত ‘রিউগু নো সুকাই’ বা ‘সমুদ্র ঈশ্বরের বার্তাবাহক’ নামে। খারাপ বা বিধ্বংসী কিছু হতে চললে তবেই নাকি উপরে উঠে আসে মাছটি। ধ্বংসের বার্তা দিয়ে যায়। আর সে কারণেই ওই মাছটিকে ‘ধ্বংসের দিনের মাছ’ বলে উল্লেখ করছেন অনেকে। ‘নেচার ইজ় অ্যামেজ়িং’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা প্রচুর মানুষের নজর কেড়েছে। ভিডিয়োটি ইতিমধ্যেই ১.৩ কোটি বার দেখা হয়েছে। ভিডিয়োয় লাইক-কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে।