পিৎজ়া হোক বা পাস্তা— ওরিগ্যানো ছড়িয়ে নিশ্চয়ই খান। এটি কেবল মুখরোচক একটি মশলা নয়, এর পুষ্টিগুণও কিন্তু ভালই আছে। বাঙালি হেঁশেলে যে সব মশলা ব্যবহার করা হয়, তার থেকে পুষ্টিগুণে কোনও অংশে কম যায় না অরিগ্যানো। এই মশলা থেকে এসেনশিয়াল অয়েলও তৈরি হয় যা ত্বকের জন্য স্বাস্থ্যকর।
অরিগ্যানো অয়েল অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর। এটি ত্বকের ময়শ্চারাইজ়ার হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। ত্বকের দাগছোপ তুলতেও এর জুড়ি মেলা ভার। যে কোনও ক্যারিয়ার অয়েল যেমন নারকেল তেল বা অলিভ তেলের সঙ্গে মিশিয়ে যদি ওরিগ্যানো অয়েল ব্যবহার করা যায়, তা হলে ত্বকের কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। ত্বকের রন্ধ্রে জমে থাকা মৃতকোষ দূর হয়ে, ত্বক অনেক কোমল ও মসৃণও হবে।
কী ভাবে অরিগ্যানো অয়েল ব্যবহার করবেন?
কী কী মেশাতে হবে-
১ চা চামচ দই
২ চামচ মধু
২ থেকে ৩ ফোঁটা অরিগ্যানো অয়েল
আরও পড়ুন:
একটি বাটিতে সমস্ত উপকরণ মিশিয়ে নিয়ে ভাল করে মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এ বার এই মিশ্রণ থেকে অল্প করে নিয়ে ত্বকে ভাল করে মালিশ করুন। চাইলে, অরিগ্যানো অয়েলের সঙ্গে সামান্য অলিভ অয়েলও মিশিয়ে নিতে পারেন। ত্বকে মালিশ করার পরে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করে উষ্ণ জলে মুখ ধুয়ে নিতে হবে।
খেয়াল রাখবেন, ত্বকে র্যাশ থাকলে বা অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে, অরিগ্যানো অয়েল ব্যবহার না কারই ভাল। যদি ত্বকে কাটাছেঁড়া বা ক্ষত থাকে, তা হলেও এই তেল ব্যবহার করবেন না।
এই প্রতিবেদন সচেতনতার উদ্দেশ্যে লেখা। ত্বক স্পর্শকাতর হলে কোনও কিছু ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রাখা জরুরি।