আগ্রহ: ফোনে আসছে ভোটের খবর। তাতেই নজর। নিজস্ব চিত্র
গোষ্ঠী কোন্দল বাড়ছে। তার উপর একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেছেন বিমল গুরুং। এই অবস্থায় মঙ্গলবার, সারাদিন বিহার নির্বাচন নিয়ে জেলার বেশিরভাগ জায়গাতেই কার্যত ‘নীরব’ থাকলেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। চূড়ান্ত ফলের অপেক্ষায় জেলা নেতাদের কেউ কেউ আবার গোটা দিনটাই গৃহবন্দি থাকলেন।
এ দিন সকাল থেকেই বিহার নির্বাচনের ফল জানতে বাড়িতে বসেই টিভিতে চোখ রাখতে শুরু করেন জেলার বিজেপি নেতা-কর্মীরা। কাঁটায় কাঁটায় টক্কর চলে সারাদিন। বেলার দিকে বিজেপির জেলা সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা জয়গাঁর বাড়িতে বসেই জানিয়ে দেন, বিহারে দল জয়ী হলে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির নেতা-কর্মীরা অনেকটাই অক্সিজ়েন পাবেন।
এ দিন হাতে গোনা কয়েকটি জায়গা বাদ দিয়ে জেলার বাকি কোথাও উচ্ছ্বাস দেখাননি বিজেপির নেতা-কর্মীরা। দুপুর পর্যন্ত তালা বন্ধই ছিল জেলা পার্টি অফিস। দলের নেতা-কর্মীদের একাংশ বিকালে পার্টি অফিসের সামনে বিজয় উৎসব করার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। কিন্তু চূড়ান্ত ফল বের না হওয়ায়, জেলা শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে তা স্থগিত থাকে। তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃদুল গোস্বামী বলেন, ‘‘একুশের বিধানসভা নির্বাচনের এখনও কয়েকমাস বাকি। তাই বিহার নির্বাচনের ফলের কোনও প্রভাব ওই নির্বাচনে পড়বে না।’’