ত্রিপুরায় পুরভোটে ঝড় তুলতে আগামী কয়েকদিন ধারাবাহিকভাবে প্রচারে অংশ নেবেন অভিষেক-ফিরহাদ-ব্রাত্য-মলয় ঘটকরা। ফাইল চিত্র
আগামী ২৫ নভেম্বর ত্রিপুরায় পুরভোট। আর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধিবেশন শেষ হয়েছে বুধবার। তাই আর কালবিলম্ব না করে ত্রিপুরার পুরভোটের শেষ লগ্নের প্রচারের লক্ষ্যে আগামী কয়েকদিন বাংলা থেকে আগরতলায় যেতে পারেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা। আগামী শনিবার আগরতলায় গিয়ে প্রচার করবেন পরিবহণমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তারপরেই ২২ নভেম্বর ত্রিপুরায় প্রচার করতে যাবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূলের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য আশিসলাল সিংহ বলেন, ‘‘অভিষেক ও ফিরহাদের প্রচারসূচির কথা আমাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারপরেই পুরভোটে প্রচারে আসতে পারেন মলয় ঘটক, ব্রাত্য বসুরা।’’ ত্রিপুরার প্রদেশ তৃণমূল নেতৃত্ব পুরভোটের প্রচারে বাংলার নারী শিশু ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা এবং বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে পাঠানোর জন্য কালীঘাটের দফতরেআবেদন জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, আগামী ২৫ নভেম্বর ত্রিপুরায় ১৩টি পুরসভা ছয় নগর পঞ্চায়েতের ভোট। মোট ৩২৪টি ওয়ার্ডে ভোটগ্রহণ হবে। এই প্রথমবার ত্রিপুরার পুরভোটে অংশ নিতে চলেছে বাংলার শাসক দল তৃণমূল। সেই ভোট পরিচালনার কাজে ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পাঁচ জন বিধায়ক-সহ ন’জন নেতাকে ত্রিপুরায় পাঠানো হয়েছে। ২৮ নভেম্বর ত্রিপুরার পুরভোটের ফলাফল ঘোষণা। এই নেতাদের ভোট পর্যন্ত সেখানেই থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়াও তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেন ও রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষকেও প্রচারে কাজে পাঠানো হবে বলেই তৃণমূল সূত্রে খবর। সর্বভারতীয় তৃণমূলের পক্ষে ত্রিপুরায় থেকেই পুরভোটের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেব ও প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।