প্রতীকী ছবি।
ওমিক্রনের সংক্রমণে অধিকাংশেরই উপসর্গ থাকছে খুব মৃদু। সে ভাইরাস যতই ছোঁয়াচে হোক না কেন, তা নিয়ে ভয় যেন তাই কিছুটা কমই। ঘরে ঘরে সর্দি-কাশির সমস্যা থাকলেও অনেকে পরীক্ষা করাচ্ছেন না। কেউ কেউ নিভৃতবাসের কথাও ভাবছেন না। ধরেই নেওয়া হচ্ছে দিন কয়েকের সর্দি-কাশির পর আবার সব স্বাভাবিকে ফিরে যাবে।
কিন্তু ততই কি সহজ ওমিক্রন? ডেল্টার সংক্রমণ থেকে মুক্ত হওয়ার বহু দিন পরেও যেমন থাকছিল নানা শারীরিক সমস্যা, এখন কি তা-ও থাকছে না তবে?
ওমিক্রনের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে সদ্যই। ফলে সেরে ওঠার পর কী কী সমস্যা থাকতে পারে, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি বেশির ভাগের কাছেই। কিন্তু চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কোনও কোনও রোগী সেরে ওঠার পরও ক্লান্তি না কাটার কথা জানিয়েছেন। কারও কারও ক্ষেত্রে হাঁটাচলা করলেই হাঁপিয়ে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে। কেউ বা সে ভাবে মন দিতেই পারছেন না কাজে। তবে ওমিক্রনের সংক্রমণের পর এই ধরনের সমস্যা কত দিন থাকতে পারে, তা ভাল ভাবে বুঝতে আরও কিছু দিন সময় লাগবে।
প্রতীকী ছবি।
ডেল্টা রূপের কোভিড সংক্রমণের পর এমন ধরনের লং কোভিড’-এর উপসর্গ কারও কারও ক্ষেত্রে থেকেছে মাস তিনেকও। কিন্তু যত দিন পর্যন্ত না বোঝা যাচ্ছে, তত দিন সতর্ক থাকা ছাড়া উপায় নেই বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।
তার চেয়েও বড় সমস্যা রয়েছে আর একটি। ওমিক্রনের সংক্রমণ বেশি হচ্ছে মানেই যে ভাইরাসের ডেল্টা রূপ উধাও হয়ে গিয়েছে, তা না-ও হতে পারে। ফলে কার সংক্রমণ কোন রূপের ভাইরাসের দ্বারা হচ্ছে, তা বোঝা সহজ নয়। সে জন্যও সতর্ক থাকা দরকার।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, করোনা থেকে সেরে ওঠার পর টানা বেশ কিছু দিন অতি যত্নে থাকতে হবে। নিয়ম করে খাওয়াদাওয়া, হালকা ব্যায়াম করা এ সময়ে খুবই জরুরি। এরই সঙ্গে দিনে অন্তত ৪ লিটার করে জলও খেতে বলছেন চিকিৎসকরা।