Crime

বাড়িতে ঢুকে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা, মারধর মাকে! আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে পুলিশের দ্বারস্থ পরিবার

মালদহ জেলা পুলিশ সুপারকে লেখা চিঠিতে নির্যাতিতার পরিবার জানিয়েছে, অভিযুক্তেরা ‘গুন্ডা প্রকৃতির।’ থানায় লিখিত অভিযোগ করার পরে অভিযুক্তেরা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাঁদের বাড়িতে ঢুকে শাসিয়ে যান। প্রাণভয়ে সকলেই এখন বাড়িছাড়া।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ মার্চ ২০২৫ ২২:০৬
Share:

— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

বাড়িতে ঢুকে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা এবং তার মাকে মারধরের অভিযোগ উঠল মালদহে। গত ১৫ মার্চ ওই ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগ। পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার পরে লাগাতার হুমকিতে আতঙ্কিত ওই পরিবার জেলা পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়েছেন। সোমবার মালদহ জেলা পুলিশ সুপার প্রদীপ যাদবকে চিঠি পাঠিয়েছে পরিবার।

Advertisement

ঘটনাটি মালদহের বামনগোলা থানা এলাকার। পারিবারিক সূত্রে খবর, গত ১৫ মার্চ স্নান সেরে নিজের ঘরে পোশাক পাল্টাচ্ছিল নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী। সেই সময় তার ঘরে ঢুকে যান তিন যুবক। মেয়েটির মা ছিলেন রান্নাঘরে। তাই তিনি বুঝতে পারেননি। পরে মেয়ের চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে তিনি ছুটে যান। তখন তাঁকেও মারধর করা হয় এবং মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। পরিবারের আরও দাবি, ছাত্রীটিকে নগ্ন করে মারধর করেন তিন যুবক। অভিযুক্তদের মধ্যে এক জন বেশ কিছু দিন ধরে মেয়েটিকে উত্যক্ত করতেন। তার পরে ১৫ মার্চের ওই ঘটনা ঘটে।

মালদহ জেলা পুলিশ সুপারকে লেখা চিঠিতে নির্যাতিতার পরিবার জানিয়েছে, অভিযুক্তেরা ‘গুন্ডা প্রকৃতির।’ থানায় লিখিত অভিযোগ করার পরে অভিযুক্তেরা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাঁদের বাড়িতে ঢুকে শাসিয়ে যান। প্রাণভয়ে সকলেই এখন বাড়িছাড়া। এমতাবস্থায় পুলিশ-প্রশাসনের সাহায্য চাইছেন তাঁরা।

Advertisement

ইতিমধ্যে ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিজেপির দাবি, অভিযুক্তেরা শাসকদলের ঘনিষ্ঠ। দক্ষিণ মালদহ জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অম্লান ভাদুড়ির মন্তব্য, ‘‘দিন দিন যা ঘটছে, তাতে মনে হচ্ছে পুলিশ বলে কিছু নেই বাংলায়। আর অভিযুক্তেরা তৃণমূলের বলে কিছু ব্যবস্থাই নিচ্ছে না পুলিশ।’’ যদিও অভিযুক্তদের সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি নেতৃত্বের। জেলা তৃণমূলের সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, ‘‘দুষ্কৃতীদের কোনও রং হয় না। তারা যেই হোক, পুলিশ প্রশাসন স্বক্রিয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পুলিশ ব্যবস্থা নিক।’’

পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement