সিনার্জির উদ্বোধনে মন্ত্রী ও আধিকারিকরা। নিজস্ব চিত্র।
রাজ্য সরকারের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প দফতরের উদ্যোগে উদ্যোগপতিদের দুয়ারে পৌঁছে, তাঁদের সুবিধা-অসুবিধা জানার প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয়ে গেল। নাম দেওয়া হয়েছে ‘সিনার্জি’। শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার জন্য ‘সিনার্জি’র আসর বসেছিল নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে। হাজির ছিলেন জেলার অন্তত ৪০০ উদ্যোগপতি। ছিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পমন্ত্রী তথা বস্ত্রমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ-সহ রাজ্য ও জেলা প্রশাসনের একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
রাজ্যের উদ্যোগপতিদের মুখ থেকে সুবিধা-অসুবিধার শুনে প্রয়োজনে তাৎক্ষনিক সমাধানের মাধ্যমে শুরু হয়ে গেল রাজ্য সরকারের ‘সিনার্জি’ কর্মসূচি। শনিবার প্রথম সিনার্জির আসর বসেছিল নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে। প্রথমদিন উত্তর ২৪ পরগনার অন্তত ৪০০ জন উদ্যোগপতি মিলিত হয়েছিলেন অনুষ্ঠানে। তাঁদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য বসেছিল ১৫টি পৃথক বিভাগীয় হেল্প ডেস্ক। সারা দিনে ৮০টির বেশি ছাড়পত্র, নো অবজেকশন সার্টিফিকেট, লাইসেন্সের আবেদন জমা পড়ে। তার মধ্যে তাৎক্ষণিক ভাবে ১৯টিতে ছাড়পত্র দেওয়া হয় রাজ্য সরকারের তরফে। কর্মসূচিতে জানানো হয়, আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে জেলায় ৪৩০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। তাতে ২৩ হাজারেরও বেশি কর্মসংস্থান হবে। এছাড়া দু’টি পৃথক শিল্প পার্কে ৫,৫০০ কোটি টাকা লগ্নি হবে, তাতে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা অন্তত ২৫ হাজারের।
শনিবারের অনুষ্ঠানে তরুণ উদ্যোগপতিদের সঙ্গে মুখোমুখি কথা বলেন রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকরা। কী করলে এবং কী ভাবে করলে বাণিজ্যিক সাফল্যের মুখ দেখা যাবে, সে ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার কতটা সহায়তা দিতে পারবে, তা নিয়ে সবিস্তার আলোচনা হয়। আগামী দিনে রাজ্যের উদ্যোগপতিদের হাতে কলমে সহায়তা এবং তাৎক্ষণিক সমাধানের পথ বাতলে দিতে গোটা রাজ্যেই চলবে সিনার্জি, বলে রাজ্য সরকারের তরফে দাবি করা হয়েছে।