bizarre

ছাত্রীর বাবার সঙ্গে ‘প্রেম’! ভিডিয়ো ফাঁস করার হুমকি দিয়ে চার লক্ষ টাকা আদায়, গ্রেফতার শিক্ষিকা

পাঁচ বছরের মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করতে গিয়ে শ্রীদেবীর সঙ্গে আলাপ হয় তরুণের। তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন, ভর্তির পর তাঁর সঙ্গে শ্রীদেবী যোগাযোগ রাখতেন এবং তাঁরা ফোনে কথা বলার ও ভিডিয়ো কল করার সময় আলাদা সিম কার্ড ব্যবহার করতেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ এপ্রিল ২০২৫ ১৪:২০
Share:

ছবি: সংগৃহীত।

ছাত্রীর বাবাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে চার লক্ষ টাকা হাতালেন শিক্ষিকা। ছবি ও ভিডিয়ো ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ২৫ বছরের ওই শিক্ষিকা আরও ২০ লক্ষ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। প্রতারণার অভিযোগে আরও দুই সহযোগী-সহ অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি বেঙ্গালুরুর। ধৃত শিক্ষিকার নাম শ্রীদেবী রুদাগি।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, পশ্চিম বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা সতীশ (নাম পরিবর্তিত) পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি স্ত্রী এবং তিন মেয়ের সঙ্গে সেখানেই থাকেন। সতীশ ২০২৩ সালে তাঁর পাঁচ বছরের মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করিয়েছিলেন। ভর্তির প্রক্রিয়া চলাকালীন শ্রীদেবীর সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়। তরুণ পুলিশকে জানিয়েছেন, ভর্তির পর তাঁর সঙ্গে শ্রীদেবী যোগাযোগ রাখতেন। তাঁরা ফোনে কথা বলার ও ভিডিয়ো কল করার সময় আলাদা সিম কার্ড ব্যবহার করতেন। ধীরে ধীরে তাঁদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। এর পরেই সতীশের থেকে শ্রীদেবী চার লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন বলে অভিযোগ।

অভিযোগ, জানুয়ারিতে ওই শিক্ষিকা ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন। এত টাকা সতীশ দিতে না চাওয়ায় ৫০ হাজার টাকা ধার চাওয়ার অজুহাতে শ্রীদেবী তাঁর বাড়ি পর্যন্ত হানা দেন বলে সতীশ পুলিশকে জানিয়েছেন। এর পর সতীশের ব্যবসা ক্ষতির মুখে পড়ায় তিনি পরিবারকে গুজরাতে পাঠিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। মার্চ মাসে মেয়ের স্কুল থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট আনতে গিয়ে শ্রীদেবী ও তাঁর দুই সাগরেদের খপ্পরে পড়েন সতীশ। ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি দেখিয়ে শ্রীদেবী ২০ লক্ষ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। টাকা না দিলে ছবিগুলি তাঁর পরিবারের কাছে পাঠানোর হুমকিও দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত ১৫ লক্ষ টাকা দিতে রাজি হন সতীশ। প্রায় ২ লক্ষ টাকা দিয়েও দেন তিনি। পরে মার্চের মাঝামাঝি ওই শিক্ষিকা ফোন করে বাকি টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন। এর পর সতীশ স্থানীয় থানায় যোগাযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তিন জনকে গ্রেফতার করে ১৪ দিনের জন্য বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয় বলে খবর।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement