হর্ষা রিচারিয়া। ভোপালের মেয়ে। অভিনেত্রী। মডেল। কর্পোরেট ইভেন্ট ম্যানেজার। ৩১ বছরের এই তরুণীর দাবি, তিনি এখন আধ্যাত্ম মার্গে ভ্রমণ করছেন। হর্ষা রিচারিয়া মানছেন, মহাকুম্ভে এসে তাঁর জীবন বদলে গিয়েছে। একাধিক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, “আমি সবাইকে বলছিলাম, আপনারা মহাকুম্ভে আসুন। মহাকুম্ভে এসে সবার জীবন বদলে যায়। কিন্তু নিজের জীবন বদলে যাবে, সেটা কখনও কল্পনাও করিনি। ঈশ্বরের যেমন ইচ্ছে তেমনটাই হচ্ছে।”
গত অগস্টে আরজি করের ঘটনায় যখন উত্তাল হয় দেশ, তখন চিকিৎসক খুনের ঘটনায় বিচার চেয়ে মোমবাতি মিছিল করেন এই হর্ষা রিচারিয়া। সরব হন বিচারের দাবি নিয়ে।
মহাকুম্ভের আগে হর্ষা রিচারিয়া ছিলেন ব্যাংককে। সেখানে একটি বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে সঞ্চালিকার ভূমিকায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। যা জনসমক্ষে আসার পর অনেকেই বিভ্রান্ত। খানিক হতভম্বও। সমালোচনাও কম হচ্ছে না। অনেকেই বলছেন টিকটকার। অনেকের কাছে তাঁর পরিচয় আবার সমাজমাধ্যমের প্রভাবশালী, যাকে প্রচলিত ভাষায় বলা হয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার। হর্ষা অবশ্য বলছেন, অনেক দিন মুম্বইয়ে কাজ করার পর এখন পাকাপোক্ত ভাবেই উত্তরাখণ্ডে নিজের বসতি গড়েছেন। সাধনা করছেন।