Salman Khan's Ram Janmobhoomi Watch

সলমনের হাতে ‘রাম জন্মভূমি’ ঘড়ি! অভিনেতার মায়ের দেওয়া বিশেষ এই উপহারটির বিশেষত্ব কী?

হিন্দুদের পাশাপাশি এই স্থানটি ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছেও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, অবশ্যই বাবরি মসজিদ। মন্দির এবং মসজিদ নিয়ে অশান্তির যে আগুন জ্বলেছিল, তার আঁচ এসে পড়েছিল দেশের সর্বত্র।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২৫ ১৯:০৪
Share:
Salman Khan

অভিনেতা সলমন খান। ছবি: সংগৃহীত।

উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা, যা রাম জন্মভূমি নামে পরিচিত। হিন্দুদের কাছে বরাবরই এই স্থানের মাহাত্ম্য ছিল। তবে নতুন করে এই জায়গাটি আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নবনির্মিত রামমন্দিরের জন্য।

Advertisement

‘এপিক এক্স রাম জন্মভূমি এডিশন ২’ ঘড়িতে বর্ণিত হয়েছে অযোধ্যার ইতিহাস। সেই ঘড়ি এ বার দেখা গেল বলিউড অভিনেতা সলমন খানের হাতে। ইদ উপলক্ষে ভাইজানের নতুন ছবি ‘সিকন্দর’ মুক্তি পেয়েছে রবিবার। তাঁর বিপরীতে রয়েছেন দক্ষিণী অভিনেত্রী রশ্মিকা মন্দানা। কয়েক দিন আগে ছবির প্রচারে এসেছিলেন অভিনেতা। সেখানেই ছবিশিকারীদের নজরে পড়ে এই ঘড়িটি। তার পর থেকেই ইসলামি নেতাদের চক্ষুশূল হয়ে ওঠেন অভিনেতা।

হিন্দুদের পাশাপাশি এই স্থানটি ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছেও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, অবশ্যই বাবরি মসজিদ। মন্দির এবং মসজিদ নিয়ে অশান্তির যে আগুন জ্বলেছিল, তার আঁচ এসে পড়েছিল দেশের সর্বত্র। ১৯৯২-এ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল মসজিদ। তা নিয়ে দীর্ঘ দিন মামলাও চলে। দীর্ঘ চাপানউতর পর্বের পর ২০১৯ সালে ওই মসজিদের জায়গাতেই নতুন করে মন্দির নির্মাণের রায় দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সেখানে স্থাপন করা হয় রামলালার মন্দির। ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেই মন্দির উদ্বোধন করেন।

Advertisement

ঘড়িটির বিশেষত্ব কী?

উপর থেকে দেখতে একেবারে স্পোর্টস ওয়াচের মতো। কমলা রঙের বেল্ট এবং সোনার ডায়াল যুক্ত ঘড়িটিতে খোদাই করা রয়েছে রাম জন্মভূমি অর্থাৎ, অযোধ্যার ইতিহাস। তার এক পাশে সাজানো রয়েছে হিন্দু দেবতাদের প্রতিরূপ। বিলাস-ঘড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘জেকব অ্যান্ড কোম্পানির’ কর্ণধার জেকব আরাবোর সঙ্গে দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক সলমনের। অভিনেতার জন্য ‘লিমিটেড এডিশন’-এর বহু ঘড়ি জেকবের সংস্থা তৈরি করেছে। অযোধ্যায় রামলালার মন্দির উদ্বোধনের বিশেষ মুহূর্তকে স্মরণে রেখেই হাতেগোনা ‘রাম জন্মভূমি’ ঘড়ি তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ওই সংস্থা।

তবে ভাইজানের এই ঘড়িটি নিয়ে সমাজমাধ্যমে বেশ হইচই শুরু হয়েছে। পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সর্বভারতীয় মুসলিম জামাত সংগঠনের সভাপতি মৌলানা শাহবুদ্দিন রাজ়ভি ঘড়িটিকে ‘হারাম’ বলে উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ ইসলামে যা নিষিদ্ধ। তিনি বলেন, “সলমন দেশের জনপ্রিয় মুখ। তিনি নিজেও ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী। তাঁর অনুরাগীর সংখ্যাও কম নয়। ইসলামে নিষিদ্ধ বা ইসলাম-বিরোধী কাজকর্ম থেকে তাঁর বিরত থাকা উচিত।” বৃহস্পতিবার সমাজমাধ্যমে বহুমূল্য এই ঘড়িটি পরে নিজেই ছবি পোস্ট করেছেন ভাইজান। নেটাগরিকদের একাংশ মনে করছেন, এটি ‘সিকন্দর’ ছবির প্রচারের একটি অংশ মাত্র। তবে নিন্দকেরা যা-ই বলুক, মা সালমা খানের দেওয়া এই উপহার সলমনের কাছে অমূল্য।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement