প্রথমত মাথায় রাখবেন, যেকোনও রত্ন তিন মাস পরে ফল দেয়। উপরত্ন ফল দেয় ছয় মাস পরে। বিভিন্ন রত্ন কীভাবে চেনা যায় দেখে নেওয়া যাক।
প্রবাল চেনার উপায়ঃ
১। কিছুটা তুলোর ভেতর লাল প্রবাল সুর্যালোকে তিন-চার ঘন্টা রাখলে তুলোতে আগুন লেগে যায়।
২। লাল প্রবাল দুধের (কাঁচা গোদুগ্ধ) সঙ্গে মিশিয়ে তিন-চার ঘন্টা রাখলে দুধ লাল বর্নের হয়।
৩। রক্তের মধ্যে লাল প্রবাল রাখলে রক্ত জমাট বেঁধে যায়।
লাল প্রবালের আয়ুর্বেদিক শোধনঃ
ক্ষার জলে চব্বিশ ঘন্টা রাখলে প্রবাল শোধিত হয়।
লাল প্রবালের compositor ও প্রাপ্তিস্থানঃ
লাল প্রবাল সমুদ্রের নীচে মেলে। ডুবুরিরা তুলে এনে কাটিং করে শুকনো করে তারপর তা বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করে।
ইটালির পলা (লাল) ও জাপানির পলা সর্বশ্রেষ্ঠ, এর মধ্যে জাপানি লাল প্রবাল প্রথম সারিতে। দামও খুব বেশি। এটি দুষ্প্রাপ্য শ্রেনীর। বেশির ভাগ দোকানে ইটালিয়ান পলা পাওয়া যায়।
প্রবাল চার ধরনের হয়। সাধারণ লাল প্রবালের দাম একটু বেশি। কিন্তু ox-blood প্রবালের দাম বেশি। এছাড়া গৈরিক প্রবাল (মঙ্গল ও বৃহস্পতির জন্য)- এর দামও খুব কম। সাদা বা শ্বেত প্রবালের দাম আরও কম। মঙ্গল, শুক্র, চন্দ্রের জন্য এটি পরা হয়। আন্দামানের বঙ্গপ্রসাগরে প্রচুর শ্বেত প্রবাল জন্মায়। এর রাসায়নিক নাম calcite এটি ব্যবহারে ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে থাকে।
মঙ্গলের জন্য রক্ত প্রবাল ধারণ কর্তব্য। কালো আভাযুক্ত উজ্জ্বল স্বচ্ছ রত্ন পরতে হয় মঙ্গলবারে।
উপরত্ন – ব্ল্যাক স্যাফেয়ার।