ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
গন্তব্যস্থলে যাওয়ার জন্য ‘গুগ্ল ম্যাপ’ই ভরসা। তাই গাড়িতে উঠে মোবাইলে ঠিকানা দিয়ে সেই ম্যাপ অনুসরণ করেই গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন তরুণ। কিন্তু গুগ্ল ম্যাপকে বিশ্বাস করেই বিপদ ডেকে আনলেন তিনি। গাড়ি নিয়ে সোজা ৩০ ফুট গভীর নর্দমায় ডুবে গেলেন তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করালেও শেষরক্ষা হল না। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন তরুণ। ঘটনাটি শনিবার দুপুর ৩টে নাগাদ গ্রেটার নয়ডায় ঘটেছে। মৃত তরুণের নাম ভরত ভাটি। দিল্লির বাসিন্দা ভরত পেশায় স্টেশনমাস্টার ছিলেন। সমাজমাধ্যমে ঘটনাস্থল থেকে তাঁর গাড়ি উদ্ধারের একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও এই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার অনলাইন)।
‘গ্রেটার নয়ডা ওয়েস্ট’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, নর্দমা থেকে একটি গাড়ি উদ্ধার করা চলছে। সেই গাড়ির কাচ ভেঙেচুরে গিয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, গাড়ি চালিয়ে কাসনার দিকে যাচ্ছিলেন ভরত। গন্তব্যস্থলের ঠিকানা গুগ্ল ম্যাপে দিয়ে তা দেখেই গাড়ি চালাচ্ছিলেন তিনি। এমনটাই দাবি করেছেন দুই প্রত্যক্ষদর্শী। তাঁদের দাবি, গুগ্ল ম্যাপ দেখে গাড়ি চালাতে চালাতে ভরত লক্ষ করেননি যে তিনি নর্দমায় নেমে পড়েছেন।
গাড়ি নর্দমায় পড়ে যেতে দেখে সেখানে ছুটে যান প্রত্যক্ষদর্শীরা। গাড়ির দরজা ভিতর থেকে আটকানো থাকায় জানলার কাচ ভেঙে ভরতকে উদ্ধার করেন তাঁরা। সঙ্গে সঙ্গে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। কিন্তু প্রাণরক্ষা করা গেল না ভরতের। পথ দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মারা যান তিনি। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ওই এলাকায় সতর্কতা বিজ্ঞপ্তি জারি করে বিশেষ বোর্ড লাগানোর জন্য স্থানীয়েরা পুলিশের কাছে অনুরোধ করেছেন।