হায়দরাবাদ ম্যাচে দিল্লির পেসার মিচেল স্টার্ক। ছবি: পিটিআই।
হলুদ জার্সিতে যখন তাঁরা খেলেন, তখন দু’জনের একটাই লক্ষ্য থাকে। দেশকে জেতানো। দেশের হয়ে একসঙ্গে অনেক ট্রফি জিতেছেন তাঁরা। কিন্তু সেই তাঁরাই যখন আইপিএলে দু’টি আলাদা দলের হয়ে খেলেন, তখন তাঁরা পরস্পরকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে চান না। চলে লড়াই। সেই লড়াইয়ে অবশ্য ট্রেভিস হেডকে টেক্কা দিয়েছেন মিচেল স্টার্ক। দেশের সতীর্থকে ছ’বার আউট করেছেন তিনি। আর সেই কারণেই হেডকে খোঁচা মেরেছেন স্টার্ক।
রবিবার আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে হারিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। হায়দরাবাদের হেড প্রথম ওভার থেকেই স্টার্কের বিরুদ্ধে সমস্যায় পড়েছেন। হাত খুলে খেলতে পারেননি। শেষে পঞ্চম ওভারে স্টার্কের বলেই আউট হয়েছেন হেড। অফ স্টাম্পের বাইরে বাউন্সার করেছিলেন স্টার্ক। সেটি খেলতে গিয়ে ব্যাটে-বলে হয়নি হেডের। বল গিয়ে তাঁর দস্তানায় লাগে। উইকেটের পিছনে লোকেশ রাহুল ক্যাচ ধরেন। ১২ বলে ২২ রান করে আউট হন হেড। তবে তাঁর রানের সিংহভাগ এসেছে দিল্লির অন্য বোলারদের বলে।
ইনিংসের বিরতিতে স্টার্ক খোঁচা মারেন হেডকে। তিনি বলেন, “ও আমার বল খেলতে সমস্যায় পড়ে। সেই কারণেই হয়তো আমার বল খেলতে চায় না। আমি তো আসলে ১৫ বছরে খুব বেশি টি-টোয়েন্টি খেলিনি। তাই এখনও আমার বল অনেকে বুঝতে পারে না।” আইপিএলে গত বার থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে দেখা গিয়েছে হেডকে। প্রতিপক্ষ বোলিংকে নিয়ে ছেলেখেলা করছেন তিনি। সেই হেডকে চুপ করিয়ে রেখে খোঁচা মেরেছেন স্টার্ক।
হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৩.৫ ওভার বল করে ৩৫ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন স্টার্ক। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটি তাঁর প্রথম পাঁচ উইকেট। এ বার প্রথম দুই ম্যাচে ৮ উইকেট নিয়েছেন স্টার্ক। বেগনি টুপির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন তিনি। আগামী দিনেও এই ফর্ম ধরে রাখতে চান অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি পেসার।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
গত বার কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে আইপিএল জিতেছেন স্টার্ক। ১৪টি ম্যাচ খেলে ১৭ উইকেট নিয়েছেন তিনি। শুরুতে ভাল বল করতে না পারলেও সময় যত এগিয়েছে তত ভাল খেলেছেন তিনি। বিশেষ করে প্রথম কোয়ালিফায়ার ও ফাইনালে। দু’টি ম্যাচেই হেডকে শুরুতে আউট করে হায়দরাবাদকে বড় ধাক্কা দিয়েছিলেন স্টার্ক। এ বারও দিল্লির হয়ে সেই একই কাজ করছেন স্টার্ক। তবে মরসুমের শুরু থেকে।