মূর্তি কোন ধাতুর বা কত প্রাচীন তা অবশ্য এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। —নিজস্ব চিত্র।
পুকুরের মাটি খোঁড়ার সময় উদ্ধার হল একটি ধাতব লক্ষ্মীমূর্তি। ওই মূর্তি কোন ধাতুর বা কত প্রাচীন তা অবশ্য এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। মঙ্গলবার কোচবিহারের তুফানগঞ্জের ঘটনা।
তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের দেওচড়াই গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝলঝলি এলাকায় মাটি খোঁড়ার সময় একটি ধাতব লক্ষ্মী মূর্তি মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করেন শ্রমিকরা। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। সেই মূর্তি দেখতে ভিড় জমাতে শুরু করেন আশেপাশের গ্রামের মানুষ। গ্রামবাসীদের প্রাথমিক ধারণা মূর্তিটি সোনার হতে পারে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ এবং প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, প্রায় ৫ ইঞ্চি উচ্চতার ওই মূর্তিটির আনুমানিক ওজন প্রায় ৫০০ গ্রাম। স্থানীয় বাসিন্দা সুবল বর্মন জানান, কোদাল দিয়ে মাটি কাটার সময়ে মূর্তিটি পাওয়া গিয়েছে। ওই মূর্তিটি পরিষ্কার করার পরে তা সোনার মত চকচক করছিল। তিনি বলেন,‘‘আমরা মন্দিরে পুজো দেওয়ার কথা ভাবছিলাম এমন সময়ে পুলিশ এসে মূর্তিটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।’’
গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য রহমত আলী বলেন, ‘‘মূর্তিটি সোনার না পিতলের তা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। মূর্তিটি আদতে কোন ধাতুর তা প্রশাসনই ভালো বলতে পারবে।’’
সোনালি ধাতুর সেই মূর্তি। —নিজস্ব চিত্র।
এই প্রসঙ্গে মহকুমা পুলিশ আধিকারিক মনোজ কুমার বলেন, ‘‘মূর্তিটি উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। জেলা শাসকের দফতরে জমা দেওয়া হবে। পরে পরীক্ষা করে জানা যাবে মূর্তিটি কোন ধাতু দিয়ে তৈরি এবং কতদিনের পুরানো।’’