ছবি: রয়টার্স।
ভারতে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের ‘স্ট্রেন’ বা প্রজাতিটি গত দু’মাসে নিজের চরিত্রগত বদল ঘটিয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে চায় ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)।
সংস্থার এক শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীর মতে, ‘সার্স-কোভ২’ ভাইরাস স্ট্রেন নিজেকে পরিবর্তিত করছে কি না, তা জানা গেলে বিষয়টি সম্ভাব্য প্রতিষেধকের কার্যকারিতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। স্ট্রেনটি আরও বেশি ক্ষতিকর হয়ে উঠেছে কি না, সংক্রমণের ক্ষমতা বাড়িয়েছে কি না, পরীক্ষায় তা-ও জানা যাবে। ওই বিজ্ঞানী জানান, লকডাউন উঠে গেলে সমীক্ষাটি হবে। কারণ তখন বিভিন্ন রাজ্য থেকে সহজে কোভিড-১৯ রোগীদের নমুনা আনা যাবে।
আন্তর্জাতিক ভাইরাস-ডেটাবেস জিআইএসএআইডি-র তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের স্ট্রেনটির সঙ্গে অন্যান্য দেশে ছড়ানো স্ট্রেনের সর্বোচ্চ পার্থক্য ০.২ শতাংশ থেকে ০.৯ শতাংশ। সংক্রমিতেরা অন্য দেশ থেকে ভারতে করোনার বিভিন্ন স্ট্রেন নিয়ে এসেছেন, এমন সম্ভাবনাও থাকছে। চিনের উহান, ইরান ও ইটালি থেকে আসা তিন রকমের স্ট্রেন পাওয়া গিয়েছে ভারতে। এর মধ্যে চিন ও ইরানের স্ট্রেনের মধ্যে মিল রয়েছে।
আইসিএমআর-এর আর এক শীর্ষ বিজ্ঞানী রমন গঙ্গাখেদকর অবশ্য আগে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, ভারতে থাকা করোনার প্রজাতিটি খুব দ্রুত চরিত্র পাল্টায়নি। তিনি বলেছিলেন, “এই প্রজাতিটিকে চিনতে একটু সময় লাগবে। তবে চরিত্র বদল হলেও তা সম্ভাব্য প্রতিষেধককে নিষ্ক্রিয় করে দেবে, এমন মনে হয় না। কারণ, এই ভাইরাসের সমস্ত উপপ্রজাতি (সাব-টাইপ)-তে একই উৎসেচক রয়েছে।”
আরও পড়ুন: ১২২ সিআরপি করোনা-আক্রান্ত
আরও পড়ুন: ধন্দ রেখে লকডাউনের নির্দেশিকায় সংশোধন কেন্দ্রের
(অভূতপূর্ব পরিস্থিতি। স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিয়ো আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, feedback@abpdigital.in ঠিকানায়। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।)