ছবি : সংগৃহীত।
অনেকেই ‘ল্যাক্টো ইনটলারেন্ট’ হন। দুধ সহ্য করতে পারেন না। তাঁদের অনেকেই স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসাবে আমন্ড মিল্ক বেছে নেন। বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কাঠবাদামের দুধ বা আমন্ড মিল্ক পাওয়া যায়। কিন্তু পুষ্টিবিদেরা বলছেন, স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসাবে বেছে নেওয়া ওই দুধ আদতে স্বাস্থ্যের ক্ষতিই করছে।
পুষ্টিবিদ লভনীত বাত্রা বলছেন, ‘‘বাজারে পাওয়া আমন্ড মিল্কে আমন্ডের পরিমাণ থাকে নামমাত্র। উল্টে স্টেবিলাইজ়ার, ইমালসিফায়ারস, অ্যাসিডিটি রেগুলেটরের মতো কিছু ক্ষতিকর জিনিস আমন্ড মিল্কের সঙ্গে শরীরে যায়। যা প্রদাহজনিত সমস্যা তৈরি করতে পারে।’’
অতিমাত্রায় প্রদাহ শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করার পাশাপাশি, পেটের সমস্যা, হার্টের সমস্যা এমনকি, ফুসফুস, স্নায়ুরোগ, মানসিক বিকার, কোনও কোনও ক্ষেত্রে ক্যানসারেরও কারণ হতে পারে। তাই লভনীতের পরামর্শ যদি আমন্ড মিল্ক খেতেই হয় তবে বাড়িতে বানিয়ে খান।
—ফাইল চিত্র।
কী ভাবে বানাবেন আমন্ড মিল্ক?
আমন্ড মিল্ক বানানো একেবারেই কষ্টসাধ্য বিষয় নয়। বরং বাড়িতে বানিয়ে আমন্ড মিল্ক খেলে আপনি তাজা দুধটিই খেতে পারবেন। আবার ফ্রিজে রাখলে বাড়িতে বানানো আমন্ড মিল্ক ৪-৫ দিন ধরেও খাওয়া যায়।
উপকরণ: ২কাপ কাঁচা কাঠবাদাম আর ৮ কাপ পরিশ্রুত জল।
প্রণালী: আমন্ডগুলি জলে ভাল করে ধুয়ে নিয়ে সারা রাত বা অন্তত ৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। নরম হয়ে এলে খোসা ছাড়িয়ে আমন্ডগুলোকে মিক্সিতে দিয়ে মিহি করে বেটে নিন। প্রয়োজন মতো জল দিন। এ বার একটি ছাঁকনি বা নরম সুতি বা মসলিনের কাপড়ে ছেঁকে নিন। ব্যাস আপনার আমন্ড মিল্ক তৈরি।